সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমায় তৃণমূলের বহু জনপ্রতিনিধি, নেতা ও কর্মীরা বাড়িতে বসে কাজুবাদামের প্যাকেট করার প্রস্তাব দিয়ে মহিলাদের কাছ থেকে নথি সংগ্রহের কাজে নেমেছেন। বিষয়টি ভালো চোখে দেখছে না তৃণমূল নেতৃত্ব। তাই দলীয় মিটিং করে সমস্ত স্তরের নেতা-কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের ওই কাজে যুক্ত না থাকার জন্য চরম সতর্কবার্তা দিল তৃণমূল।
Advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য তথা দাসপুর-২ ব্লক সভাপতি সৌমিত্র সিংহরায় জানান, বাড়িতে বসে কাজুবাদামের প্যাকেট তৈরি করার ‘টোপ’ দিয়ে গ্রামে গ্রামে মহিলাদের গ্রুপ তৈরি করে নথি সংগ্রহের বিষয়টি দলের কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক ঠেকছে। এভাবে হাজার হাজার মহিলাকে কাজ দেওয়া বাস্তবে সম্ভব নয়। এর পেছেনে অন্য কোনও অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তাই তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি, নেতা ও কর্মীদের ওই কাজে যুক্ত থাকা যাবে না। আগামী দিনে কোনও সমস্যা হলে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। সেটা মিটিং করে বলে দেওয়া হয়েছে।’
বাড়িতে কাজুবাদাম প্যাকেট করলেই মোটা টাকা আয় হবে। এই ‘টোপ’ দেখিয়ে মহকুমার শয়ে-শয়ে মহিলার কাছ থেকে ব্যক্তিগত নথি ও টাকাও নিচ্ছে কিছু মানুষ। বিষয়টি খুব সন্দেহজনক। এনিয়ে চিন্তিত প্রশাসনও।
দাসপুর-১ বিডিও দীপঙ্কর বিশ্বাস বলেন, একজন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিষয়টি আমার নজরে এনেছেন। আমি বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি।’ ঘাটাল মহকুমার তিনটি থানার পুলিসও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে। দাসপুর থানার এক সাব ইন্সপেক্টর জানান, দাসপুর গঞ্জের বেশকয়েক জন মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিসও জানতে চাইছে এর উৎস কোথায়। কেনই বা কাজ দেওয়ার নামে ব্যক্তিগত নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে। কেউ কেউ টাকাও নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
এলাকার ২৮জন মহিলা নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করার কথা বলা হচ্ছে। সেই গ্রুপে একজন সুপারভাইজার থাকবেন। গ্রুপের মহিলাদের কাজুবাদাম পৌঁছে দেওয়া হবে। তাঁরা বাড়িতে বসে প্যাকেট করবে। তা থেকেই মোটা টাকা আয় হবে। তৃণমূলের ওই ব্লক সভাপতি বলেন, দলের নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিরা বিষয়টি খতিয়ে না দেখেই এই কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। আগামী দিনে কোনও স্ক্যাম হলে পরোক্ষভাবে যার দায় দলের উপরে পড়বে।
পুলিসও এর পেছনে ‘কালো মেঘ’ দেখছে। তাদের প্রশ্ন, কত কাজুবাদাম উৎপাদিত হয় যার জন্য ঘাটাল মহকুমাতেই ২৮ জনের প্রায় ১২০০ গ্রুপ করা হয়েছে। প্রায় ৩৬ হাজার মহিলা নিয়মিত কাজ পাবেন। এটা এই মুহূর্তের পরিসংখ্যান। যেভাবে দিনদিন গ্রুপের সংখ্যা বাড়ছে তাতে গ্রুপের সংখ্যা কোথায় পৌঁছাবে, তা বলা অসম্ভব। যদিও এখনও কোনও গ্রুপ প্যাকেট করার জন্য কাজুবাদাম হাতে পায়নি।
বাড়িতে কাজুবাদাম প্যাকেট করলেই মোটা টাকা আয় হবে। এই ‘টোপ’ দেখিয়ে মহকুমার শয়ে-শয়ে মহিলার কাছ থেকে ব্যক্তিগত নথি ও টাকাও নিচ্ছে কিছু মানুষ। বিষয়টি খুব সন্দেহজনক। এনিয়ে চিন্তিত প্রশাসনও।
দাসপুর-১ বিডিও দীপঙ্কর বিশ্বাস বলেন, একজন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিষয়টি আমার নজরে এনেছেন। আমি বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি।’ ঘাটাল মহকুমার তিনটি থানার পুলিসও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে। দাসপুর থানার এক সাব ইন্সপেক্টর জানান, দাসপুর গঞ্জের বেশকয়েক জন মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিসও জানতে চাইছে এর উৎস কোথায়। কেনই বা কাজ দেওয়ার নামে ব্যক্তিগত নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে। কেউ কেউ টাকাও নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
এলাকার ২৮জন মহিলা নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করার কথা বলা হচ্ছে। সেই গ্রুপে একজন সুপারভাইজার থাকবেন। গ্রুপের মহিলাদের কাজুবাদাম পৌঁছে দেওয়া হবে। তাঁরা বাড়িতে বসে প্যাকেট করবে। তা থেকেই মোটা টাকা আয় হবে। তৃণমূলের ওই ব্লক সভাপতি বলেন, দলের নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিরা বিষয়টি খতিয়ে না দেখেই এই কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। আগামী দিনে কোনও স্ক্যাম হলে পরোক্ষভাবে যার দায় দলের উপরে পড়বে।
পুলিসও এর পেছনে ‘কালো মেঘ’ দেখছে। তাদের প্রশ্ন, কত কাজুবাদাম উৎপাদিত হয় যার জন্য ঘাটাল মহকুমাতেই ২৮ জনের প্রায় ১২০০ গ্রুপ করা হয়েছে। প্রায় ৩৬ হাজার মহিলা নিয়মিত কাজ পাবেন। এটা এই মুহূর্তের পরিসংখ্যান। যেভাবে দিনদিন গ্রুপের সংখ্যা বাড়ছে তাতে গ্রুপের সংখ্যা কোথায় পৌঁছাবে, তা বলা অসম্ভব। যদিও এখনও কোনও গ্রুপ প্যাকেট করার জন্য কাজুবাদাম হাতে পায়নি।



