নিজস্ব প্রতিনিধি, গোঘাট: প্রকল্প প্রস্তুত। কিন্তু, নির্দিষ্ট গাইড লাইনের অভাবে বাড়ি বাড়ি পৌঁছনো যাচ্ছে না পানীয় জল। এনিয়ে প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। প্রকল্পের রূপায়ণ জানতে ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে ব্লক। গোঘাট-১ ব্লকে প্রায় ১১টি জল প্রকল্প গড়ে তোলার কাজ চলছে। তারমধ্যে তিনটি জল প্রকল্পের কাজ কয়েক মাস আগেই সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, প্রকল্পগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ, পাম্প অপারেটর নিয়োগের জটিলতায় বাড়ি বাড়ি দেওয়া যায়নি জলের পরিষেবা। কোন খাত থেকে খরচ হবে তার দিশা পেতেও জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে ব্লক প্রশাসন। গোঘাটের পাশাপাশি অন্যান্য ব্লকেও এমন বেশকিছু জল প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
Advertisement
গোঘাট-১ বিডিও সম্রাট বাগচী বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরি করতে আমরা জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছি। আশা করছি দ্রুত এর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারা প্রকল্পটি কীভাবে চালাবে, সেটা এখনও ঠিক হয়নি। এখানে ১১টির মধ্যে তিনটি জল প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আপাতত হস্তান্তর প্রক্রিয়া হয়নি।
গোঘাট-১ পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ রায় বলেন, প্রকল্পগুলির হস্তান্তরের পর সেখানে বিদ্যুতের বিল কে মেটাবে? অথবা পঞ্চায়েত দিলে তা কোন খাত থেকে দেওয়া হবে। তার সুনির্দিষ্ট কোনও গাইডলাইন পাওয়া যায়নি। জল প্রকল্পগুলিতে পাম্প অপারেটরদের ভাতা কোন তহবিল থেকে দেওয়া হবে, সেই বিষয়টিও আমাদের অজানা। তাই বিষয়গুলি নিয়ে পরিষ্কার হতে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। গোঘাট-১ ব্লকের জোৎমহম্মদ, আদ্রা ও সূর্যপুর এলাকার তিনটি প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও সেখানে এখনও পরিষেবা দেওয়া যায়নি। অন্যান্য প্রকল্পগুলির কাজ এখনও কিছু বাকি রয়েছে।
জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের হুগলির এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাজেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নের জন্য সমীক্ষা করানো হবে। প্রকল্পগুলি চালাতে একটি নির্দিষ্ট রূপরেখা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শাওড়া পঞ্চায়েতের প্রধান মিঠু গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, কয়েক মাস আগে একটি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। ব্লক প্রশাসনের নির্দেশমতো প্রকল্প চালু হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন প্রকল্পের আওতায় এলাকায় স্কিমগুলির কাজ শুরু হয়। নাম দেওয়া হয়েছে মিনি জল সরবরাহ প্রকল্প। সংশ্লিষ্ট ব্লক প্রশাসনের তরফেই প্রকল্পগুলির টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। বিচ্ছিন্ন কিছু গ্রামের বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি জল দিতে এই প্রকল্পগুলি নেওয়া হয়। প্রকল্পগুলির জন্য গড়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। গোঘাটের ভাদুর পঞ্চায়েতের চকনেতরা গ্রামেও এমন একটি জল প্রকল্পের কাজ চলছে। ওই গ্রামে ১০০টি পরিবারকে জল সংযোগ দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও অনেকের বাড়িতেই সংযোগ দেওয়া যায়নি। ওই গ্রামের বাসিন্দা আজিজ আলি বলেন, গ্রামে জল প্রকল্প হলেও আমাদের বাড়িতে এখনও ট্যাপ বসেনি। পানীয় জল নিয়ে সমস্যা আছেই। শেখ আজিবুর রহমান আবার বলেন, সরকারিভাবে না হলেও বাসিন্দাদের সুবিধার কথা ভেবে বিনা পারিশ্রমিকেই তিনবেলা পাম্প চালিয়ে দিই। প্রায় ৮০টি পরিবার এখন জল পাচ্ছে।
গোঘাট-১ পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ রায় বলেন, প্রকল্পগুলির হস্তান্তরের পর সেখানে বিদ্যুতের বিল কে মেটাবে? অথবা পঞ্চায়েত দিলে তা কোন খাত থেকে দেওয়া হবে। তার সুনির্দিষ্ট কোনও গাইডলাইন পাওয়া যায়নি। জল প্রকল্পগুলিতে পাম্প অপারেটরদের ভাতা কোন তহবিল থেকে দেওয়া হবে, সেই বিষয়টিও আমাদের অজানা। তাই বিষয়গুলি নিয়ে পরিষ্কার হতে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। গোঘাট-১ ব্লকের জোৎমহম্মদ, আদ্রা ও সূর্যপুর এলাকার তিনটি প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও সেখানে এখনও পরিষেবা দেওয়া যায়নি। অন্যান্য প্রকল্পগুলির কাজ এখনও কিছু বাকি রয়েছে।
জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের হুগলির এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাজেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নের জন্য সমীক্ষা করানো হবে। প্রকল্পগুলি চালাতে একটি নির্দিষ্ট রূপরেখা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শাওড়া পঞ্চায়েতের প্রধান মিঠু গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, কয়েক মাস আগে একটি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। ব্লক প্রশাসনের নির্দেশমতো প্রকল্প চালু হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন প্রকল্পের আওতায় এলাকায় স্কিমগুলির কাজ শুরু হয়। নাম দেওয়া হয়েছে মিনি জল সরবরাহ প্রকল্প। সংশ্লিষ্ট ব্লক প্রশাসনের তরফেই প্রকল্পগুলির টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। বিচ্ছিন্ন কিছু গ্রামের বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি জল দিতে এই প্রকল্পগুলি নেওয়া হয়। প্রকল্পগুলির জন্য গড়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। গোঘাটের ভাদুর পঞ্চায়েতের চকনেতরা গ্রামেও এমন একটি জল প্রকল্পের কাজ চলছে। ওই গ্রামে ১০০টি পরিবারকে জল সংযোগ দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও অনেকের বাড়িতেই সংযোগ দেওয়া যায়নি। ওই গ্রামের বাসিন্দা আজিজ আলি বলেন, গ্রামে জল প্রকল্প হলেও আমাদের বাড়িতে এখনও ট্যাপ বসেনি। পানীয় জল নিয়ে সমস্যা আছেই। শেখ আজিবুর রহমান আবার বলেন, সরকারিভাবে না হলেও বাসিন্দাদের সুবিধার কথা ভেবে বিনা পারিশ্রমিকেই তিনবেলা পাম্প চালিয়ে দিই। প্রায় ৮০টি পরিবার এখন জল পাচ্ছে।



