সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: রিজার্ভার তৈরি, কিন্তু জল নেই গ্রামে। স্থানীয়দের দাবি, রিজার্ভার, পাম্প হাউস বানানোর পর পাইপ বসানোর কাজ অসমাপ্ত রেখেই বেপাত্তা হয়ে গিয়েছে ঠিকাদার সংস্থা। ফলে পরিস্রুত পানীয় জল পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মাথাভাঙা শহর সংলগ্ন পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেরভেরি মানাবাড়ি গ্রামের মানুষ। তাঁরা বাধ্য হয়ে কুয়োর জল খাচ্ছেন। অনেকের বাড়ির কুয়োর জলে আবার আয়রন রয়েছে। তাঁরা বাধ্য হয়ে সেই জলই খান। ফলে প্রায় পেটের অসুখে ভুগতে হচ্ছে তাঁদের। পিএইচই’র মাথাভাঙার সহকারী বাস্তুকার ঋষিন ঘোষ বলেন, ভেরভেরি মানাবাড়িতে রিজার্ভার বানানো হয়েছে। কিছু পাইপ সংযোগ দেওয়ার কাজ বাকি। সেটা বরাত পাওয়া ঠিকাদার সংস্থা করে দেবে। পাইপ বসানোর জন্য আলাদা করে টেন্ডার হবে। সেই প্রক্রিয়া চলছে। রিজার্ভার তৈরি করা ঠিকাদার সংস্থাকে তাদের বাকি কাজ দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে।
Advertisement
গ্রামে পানীয় জল প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার পর আশাবাদী ছিলেন বাসিন্দারা। কিন্তু কাজ অসমাপ্ত থাকায় পরিস্রুত পানীয় জল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব দত্ত বলেন, রিজার্ভার তৈরির পর পাইপ লাইন বসানোর কাজ আর হয়নি। ঠিকাদারের পাত্তা নেই। গ্রামের শতাধিক বাড়িতে পানীয় জলের সমস্যা। অনেকেই বাধ্য হয়ে জল কিনে খাচ্ছেন। পিএইচই’কেও এ নিয়ে জানানো হয়েছে। কিন্তু কাজ শুরু করার ব্যাপারে কোনও হেলদোল নেই।
স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বিক্রম দত্ত বলেন, আমাদের এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। সেই দাবি জানানোর পর পানীয় জল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যেই রিজার্ভার ও পাম্প বসানো হয়েছে। কিন্তু বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থা কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে গিয়েছে। আশা করছি, টেন্ডার ডেকে বাকি কাজ শেষ করা হবে।
স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বিক্রম দত্ত বলেন, আমাদের এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। সেই দাবি জানানোর পর পানীয় জল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যেই রিজার্ভার ও পাম্প বসানো হয়েছে। কিন্তু বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থা কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে গিয়েছে। আশা করছি, টেন্ডার ডেকে বাকি কাজ শেষ করা হবে।



