সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: সরকারি নির্দেশিকা মোতাবেক ২৩ ডিসেম্বর থেকে রাজ্যজুড়ে অনলাইনে পঞ্চায়েতের কর জমা দেওয়া শুরু হচ্ছে। আর অনলাইনে কর পরিষেবা চালুর ফলে কাজ হারানোর শঙ্কায় আতঙ্কিত গ্রাম পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীরা। আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে আলিপুরদুয়ারের ৬৪টি পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীদেরও।
Advertisement
মঙ্গলবার জেলার পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীরা আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালের দ্বারস্থ হন। শহরের অরবিন্দনগরে বিধায়কের অফিসে এসে তাঁকে স্মারকলিপি দেন। বিধায়ক পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীদের এই আতঙ্ক ও কর্মহীনতার আশঙ্কার কথা পঞ্চায়েতমন্ত্রীকে জানানোর আশ্বাস দিয়েছেন। বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, শুনেছি ২৩ তারিখ থেকে পঞ্চায়েতের কর অলাইনে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। এর ফলে পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীরা কাজ হারানোর আশঙ্কা করছেন। সেই আতঙ্ক ও আশঙ্কার কথা জানাতেই জেলার পঞ্চায়েতগুলির কর আদায়কারীরা আমাকে স্মারকলিপি দিয়েছেন। বিভাগীয় মন্ত্রীকে বিষয়টি জানাব।
বাড়ি, সম্পত্তি সহ বিভিন্ন কর আদায় করেন পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীরা। তারজন্য তাঁদের কমিশন সহ ২৫০০-৩০০০ টাকা সাম্মানিক দেওয়া হয়। আলিপুরদুয়ার জেলার ৬৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রায় ১০০ জন কর আদায়কারী আছেন। রাজ্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার সেই করই জমা নেওয়া হবে অনলাইনে। তারজন্য নির্দিষ্ট ফর্মে পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের নাম নথিভুক্তকরণের কাজ চলছে। এই অনলাইনে কর জমা নেওয়ার ব্যবস্থাতেই কাজ হারানোর বিপদ দেখছেন কর আদায়কারীরা।
ফালাকাটার ময়রারডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের কর আদায়কারী বাপ্পি বর্মন আতঙ্কের সুরে বলেন, এমনিতেই এই কাজ করে যে ভাতা পাই তাতে সংসার চলে না। তারউপর অনলাইনে কর নেওয়া হলে আমাদে কাজ আদৌ থাকবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চিয়তায় ভুগছি। সেই আতঙ্ক থেকে আমরা বিধায়কের দ্বারস্থ হয়েছি।
বিধায়ককে দেওয়া স্মারকলিপিতে পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীরা দাবি তুলেছেন অনলাইন কর দেওয়ার পরিষেবায় তাঁদের যুক্ত করা হোক। যাতে তাঁদের জীবন জীবিকায় প্রভাব না পড়ে। যদিও জানা গিয়েছে, ২৩ তারিখ থেকে আপাতত পরীক্ষামূলকভাবেই অনলাইনে পঞ্চায়েতের কর দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের শালকুমার-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রীবাস রায় বলেন, ২৩ ডিসেম্বর থেকে অনলাইনে পঞ্চায়েতের কর পরিষেবা চালুর নির্দেশ এসেছে রাজ্য থেকে। তবে আপাতত পরীক্ষামূলকভাবেই এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে বলে রাজ্য জানিয়েছে।
বাড়ি, সম্পত্তি সহ বিভিন্ন কর আদায় করেন পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীরা। তারজন্য তাঁদের কমিশন সহ ২৫০০-৩০০০ টাকা সাম্মানিক দেওয়া হয়। আলিপুরদুয়ার জেলার ৬৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রায় ১০০ জন কর আদায়কারী আছেন। রাজ্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার সেই করই জমা নেওয়া হবে অনলাইনে। তারজন্য নির্দিষ্ট ফর্মে পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের নাম নথিভুক্তকরণের কাজ চলছে। এই অনলাইনে কর জমা নেওয়ার ব্যবস্থাতেই কাজ হারানোর বিপদ দেখছেন কর আদায়কারীরা।
ফালাকাটার ময়রারডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের কর আদায়কারী বাপ্পি বর্মন আতঙ্কের সুরে বলেন, এমনিতেই এই কাজ করে যে ভাতা পাই তাতে সংসার চলে না। তারউপর অনলাইনে কর নেওয়া হলে আমাদে কাজ আদৌ থাকবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চিয়তায় ভুগছি। সেই আতঙ্ক থেকে আমরা বিধায়কের দ্বারস্থ হয়েছি।
বিধায়ককে দেওয়া স্মারকলিপিতে পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীরা দাবি তুলেছেন অনলাইন কর দেওয়ার পরিষেবায় তাঁদের যুক্ত করা হোক। যাতে তাঁদের জীবন জীবিকায় প্রভাব না পড়ে। যদিও জানা গিয়েছে, ২৩ তারিখ থেকে আপাতত পরীক্ষামূলকভাবেই অনলাইনে পঞ্চায়েতের কর দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের শালকুমার-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রীবাস রায় বলেন, ২৩ ডিসেম্বর থেকে অনলাইনে পঞ্চায়েতের কর পরিষেবা চালুর নির্দেশ এসেছে রাজ্য থেকে। তবে আপাতত পরীক্ষামূলকভাবেই এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে বলে রাজ্য জানিয়েছে।



