Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রধানমন্ত্রী আসার ২৪ ঘণ্টা আগে পানাগড়ে শক্তি প্রদর্শন তৃণমূলের, একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি মিছিলে কীর্তি, সায়নী, প্রদীপ

প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল থেকে মেরেকেটে ২০ কিলোমিটার দূর। নরেন্দ্র মোদির সভার ২৪ ঘণ্টা আগে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে কার্যত প্রধানমন্ত্রী সভাকেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ল তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রধানমন্ত্রী আসার ২৪ ঘণ্টা আগে পানাগড়ে শক্তি প্রদর্শন তৃণমূলের, একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি মিছিলে কীর্তি, সায়নী, প্রদীপ
  • ১৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল থেকে মেরেকেটে ২০ কিলোমিটার দূর। নরেন্দ্র মোদির সভার ২৪ ঘণ্টা আগে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে কার্যত প্রধানমন্ত্রী সভাকেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। ২১ জুলাইয়ের সভার প্রস্তুতি মিছিলের নামে পশ্চিম বর্ধমান জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের শক্তি প্রর্দশন করল পানাগড়ে। যুব তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে সেই মিছিল মহামিছিলের রূপ নেয়। যা দেখে আপ্লুত সংগঠনের রাজ্য‌ সভানেত্রী সায়নী ঘোষও। মিছিলে হাজির হয়েছিলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। মিছিলে পা মিলিয়ে মন্ত্রী মাইক হাতে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, এই মিছিলে যা লোক ছিল তাঁর অর্ধেক লোক প্রধানমন্ত্রীর সভায় হলে মানব জুমলা প্রধানমন্ত্রীর কিছু একটা ক্ষমতা আছে। 

Advertisement

দুপুর আড়াইটার সময়ে মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল কাঁকসা থানার পানাগড়ের দার্জিলিং মোড় থেকে। সেই সময়ে প্রবল বৃষ্টি। সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করেই মানুষকে ভিড় জমাতে দেখা যায়। যার মধ্যে যুবক-যুবতীদের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথম সারির নেতারা আসার আগেই ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি পার্থ দেওয়াসি, সাধারণ সম্পাদক কৌস্তভ বন্দ্যোপাধ্যায়দের। যুবকদের একটি অংশ একুশে জুলাই কালো গেঞ্জি পরে ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব তুলে নেয়। তাতেও মিছিলের ভিড় সুশৃঙ্খল করা কঠিন হয়ে ওঠে। মহিলা জেলা নেত্রী অসীমা চক্রবর্তী, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। পাঞ্জাবি মোড় থেকে পানাগড় গুরুদ্বোয়ারা পর্যন্ত মিছিল করার কথা ছিল। কিন্তু সায়নী ঘোষ আসার আগেই কার্যত পুরো রাস্তাই তৃণমূল নেতা, কর্মী, সমর্থকদের দখলে চলে যায়। বাধ্য হয়েই সায়নী সহ জেলার শীর্ষ নেতাদের মিছিলের মাঝ থেকেই হাটতে হয়। কর্মীদের এই উৎসাহ দেখে নেতারাও চার্জড হয়ে যান। জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, পানাগড়ে একটা জন সুনামি করার ইচ্ছে ছিল তা সফল হয়েছে। এরপরই সায়নী ঘোষ ঝাঁঝালো ভাষায় আক্রমণ শুরু করেন। তিনি বলেন, বিজেপি এখন বাঙালি জ্বালাও পার্টি। বিভাজনের রাজনীতিই তাঁদের হাতিয়ার। মোদিজি সেই কাজ করতে আসছেন। এই ভিড় দেখছেন তো, জেলার একটা যুব সংগঠনের মিছিলের এই ক্ষমতা। মোদি হ্যায় তো ইঁহা মুমকিন নেহি হ্যায়। বাংলা মে দিদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। বাংলার জন্য আপনি কী করেছেন? ঘর দিয়েছেন, রাস্তা দিয়েছেন, একশো দিনের কাজ দিয়েছেন। আপনার লড়াই তো তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে বাংলার মানুষকে কেন বঞ্চিত করলেন? ২০২৬ বাঙালি দেখিয়ে দেবে ক্ষমতা, সঙ্গে আছে মমতা। বাংলাকে বঞ্চনা, বাঙালিদের অন্য রা঩জ্যে অত্যাচারের জবাব পাবেন। এদিন তিনি ছাড়াও স্থানীয় বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই, জামুড়িয়ার বিধায়ক হরেরাম সিংও তীব্র ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ