সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: খাটালমুক্ত শহর গড়তে অভিযানে নামছে শিলিগুড়ি পুরসভা। সেই সঙ্গে ফের শুরু হবে ফুটপাত ও রাস্তার ধারে সরকারি জমি দখলমুক্ত করার অভিযান। পুরসভা, জেলা হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু করে শহরের পাড়ায় পাড়ায় রাস্তার ধারে ফের নতুন করে দোকান বসছে। শিলিগুড়ি পুরসভার দখল মুক্ত অভিযান বন্ধ হতেই ফুটপাত, রাস্তার ধারে সরকারি জমি দখল করে খাবারের দোকান সহ নানা ধরনের ব্যবসা চলছে রমরমিয়ে। গোটা বিষয়টি মেয়রের নজরে এসেছে। শনিবার শিলিগুড়ি পুরসভার টক টু মেয়র ফোন ইন অনুষ্ঠানে এ ব্যাপারে কয়েকজন নাগরিক মেয়র গৌতম দেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। শহর থেকে খাটাল সরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারেও এদিন মেয়রের কাছে আবেদন এসেছে।
Advertisement
মেয়র তাঁদের জানান, ফুটপাত ও রাস্তার ধারে সরকারি জমি দখলমুক্ত অভিযান আবার ধারাবাহিকভাবে শুরু হবে। যেসব জায়গায় আমরা ফুটপাত ও সরকারি থেকে দোকান বাজার সরিয়ে দিয়েছি, সেখানে পুরনো ব্যবসায়ীদের আমরা বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করছি। আগামীতেও যাদের সরিয়ে দেওয়া হবে, তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু, দেখা যাচ্ছে সরকারি জমি বা ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর সেখানে কিছুদিন বাদেই আবার নতুন করে দোকান গজিয়ে উঠছে। মাঝে পুজো থাকায় আমাদের এই অভিযান স্থগিত ছিল। এবার আরও কড়া হাতে ফুটপাত ও রাস্তার ধারে সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হবে।
খাটাল প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে মেয়র বলেন, শিলিগুড়ি শহর থেকে আগেও খাটাল সরানো হয়েছে। কিন্তু তিন, পাঁচ ও আট নম্বর ওয়ার্ডে এখনও খাটাল রয়েছে। এই খাটাল সরিয়ে নিতেই হবে। আমরা খাটাল মালিকদের নোটিস দেব। শহরের সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রবণ শিলিগুড়িকে ঝুঁকি মুক্ত করতে খাটাল রাখা যাবে না। খাটাল সরিয়ে নিয়ে সেই জমিতে মালিকরা অন্য কোনও কাজ করতে পারেন। কিন্তু শহরের মধ্যে খাটাল রাখা যাবে না।
খাটাল প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে মেয়র বলেন, শিলিগুড়ি শহর থেকে আগেও খাটাল সরানো হয়েছে। কিন্তু তিন, পাঁচ ও আট নম্বর ওয়ার্ডে এখনও খাটাল রয়েছে। এই খাটাল সরিয়ে নিতেই হবে। আমরা খাটাল মালিকদের নোটিস দেব। শহরের সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রবণ শিলিগুড়িকে ঝুঁকি মুক্ত করতে খাটাল রাখা যাবে না। খাটাল সরিয়ে নিয়ে সেই জমিতে মালিকরা অন্য কোনও কাজ করতে পারেন। কিন্তু শহরের মধ্যে খাটাল রাখা যাবে না।



