সংবাদদাতা, রামপুরহাট: শিমুল তুলোর বালিশ বেশ জনপ্রিয়। বেশ নরম এবং আরামদায়ক হওয়ার কারণে এর চাহিদাও বেশি। চাহিদা থাকলেও এখন আর আগের মতো খাঁটি শিমুল তুলোর বালিশ, লেপ পাওয়া যায় না। এর বদলে জায়গা করে নিয়েছে কৃত্রিম তুলো। যার পোশাকি নাম বিক্রম, পহল, কাম্বল। রামপুরহাটের ধুনুরিরা এখন এই তুলো দিয়ে তৈরি লেপ, বালিশ বিক্রি করছেন। তাঁরা বলছেন, চাহিদা থাকলেও সরবরাহের অভাবে তাঁরা আগের মতো দেশি শিমুল তুলার বালিশ, লেপ বিক্রি করতে পারেন না।
Advertisement
লেপমুড়ি দিয়ে শীতের আমেজ নেওয়া, বাঙালির চিরকালের অভ্যাস। কিন্তু সেই অভ্যাসেই বোধহয় খানিক বদল এসেছে। অন্তত তেমনটাই মত বহু বছর ধরে রামপুরহাটে শীতের মরশুমে লেপ বোনা ধুনুরিদের। লেপ, তোষকের জায়গা কাড়ছে বিভিন্ন কোম্পানির কম্বল, গদি, বালাপোষ। কিন্তু এরই মধ্যে অনেকেই শিমুল তুলো দিয়ে তৈরি বালিশ, লেপ খুঁজছেন। কিন্তু কোথাও মিলছে না শিমুল তুলো। কালের বিবর্তনে আগুন ঝরা ফাগুনে অপরূপ সাজে সজ্জিত শিমুল গাছ এখন হারিয়ে যাচ্ছে। তাই শিমুল তুলো থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন মানুষ। রামপুরহাট শহরে প্রায় ২০টি জায়গায় কেউ রাস্তার ধারে, কেউবা বা বিভিন্ন মন্দিরের বারান্দায় বা সাংস্কৃতিক মঞ্চে লেপ, তোষক তৈরি করেন। বছর পাঁচেক আগেও শীত পড়তেই বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড থেকে দল বেঁধে ধুনুরিরা শহরে আসতেন। দোকান থেকে বরাত নিয়ে ডাঁই করা শিমুল তুলো পিটিয়ে তৈরি করতেন একের পর এক লেপ, বালিশ। এবছরও তাঁদের অনেকেই এসেছেন। কিন্তু দেখা নেই শিমুল তুলোর।
ধুনুরি মিঠু মনসুরি, আনোয়ার মনসুরিরা বলেন, অনেকেই শিমুল তুলো দিয়ে লেপ, বালিশ তৈরি করানোর জন্য আসছেন। কিন্তু কেজি প্রতি প্রায় ৫০০ টাকা হলেও শিমুলের জোগান নেই। সেই জায়গায় শিমুলের মতো দেখতে ৩৯০ টাকা কেজি বিক্রম, ১৭০ টাকা পহল, ২৫০ টাকা কেজি কাম্বল তুলো দিয়ে তৈরি করা লেপ, বালিশ অনেকে নিয়ে যাচ্ছেন। অন্যান্য সময় শীতের শুরুতে প্রচুর অর্ডার আসত। এখন সেই অর্ডার নেই বললেই চলে। এতেই ব্যবসা মার খাচ্ছে ইদওয়া মনসুরি, আজহার মনসুরির মতো ধুনুরিদের।
জনৈক ক্রেতা জনার্দন হাজরা বলেন, শীতের লেপ বা বালিশ তৈরির জন্য শিমুল তুলোর জুড়ি নেই। কৃত্রিম তুলোতে সেভাবে গরম ধরে না। তাছাড়া অনেকদিন টেকে। পথ চলতি এক মহিলা অবশ্য বলেন, কম্বল দেখতে সুন্দর। ওজনেও হাল্কা। শীত মিটলেই ‘ড্রাইওয়াশ’ করে সহজে ভাঁজ করে আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখা যায়। এসব লেপের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। প্রবীণ বাসিন্দা দেবিকা সরকার বলছেন, শীতকে জব্দ করতে শিমুল তুলোর তৈরি লেপের জুড়ি নেই। তাছাড়া, লেপ আর্থিক সাশ্রয়ও করে। কাপড় পাল্টে দিলে বা সামান্য পরিমাণে নতুন তুলো দিলেই পুরনো লেপ ফের নতুন রূপে ব্যবহার করা যায়।
ধুনুরি মিঠু মনসুরি, আনোয়ার মনসুরিরা বলেন, অনেকেই শিমুল তুলো দিয়ে লেপ, বালিশ তৈরি করানোর জন্য আসছেন। কিন্তু কেজি প্রতি প্রায় ৫০০ টাকা হলেও শিমুলের জোগান নেই। সেই জায়গায় শিমুলের মতো দেখতে ৩৯০ টাকা কেজি বিক্রম, ১৭০ টাকা পহল, ২৫০ টাকা কেজি কাম্বল তুলো দিয়ে তৈরি করা লেপ, বালিশ অনেকে নিয়ে যাচ্ছেন। অন্যান্য সময় শীতের শুরুতে প্রচুর অর্ডার আসত। এখন সেই অর্ডার নেই বললেই চলে। এতেই ব্যবসা মার খাচ্ছে ইদওয়া মনসুরি, আজহার মনসুরির মতো ধুনুরিদের।
জনৈক ক্রেতা জনার্দন হাজরা বলেন, শীতের লেপ বা বালিশ তৈরির জন্য শিমুল তুলোর জুড়ি নেই। কৃত্রিম তুলোতে সেভাবে গরম ধরে না। তাছাড়া অনেকদিন টেকে। পথ চলতি এক মহিলা অবশ্য বলেন, কম্বল দেখতে সুন্দর। ওজনেও হাল্কা। শীত মিটলেই ‘ড্রাইওয়াশ’ করে সহজে ভাঁজ করে আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখা যায়। এসব লেপের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। প্রবীণ বাসিন্দা দেবিকা সরকার বলছেন, শীতকে জব্দ করতে শিমুল তুলোর তৈরি লেপের জুড়ি নেই। তাছাড়া, লেপ আর্থিক সাশ্রয়ও করে। কাপড় পাল্টে দিলে বা সামান্য পরিমাণে নতুন তুলো দিলেই পুরনো লেপ ফের নতুন রূপে ব্যবহার করা যায়।



