নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: খাতড়ায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় এবার ‘সিট’ গঠন করল বাঁকুড়া জেলা পুলিস। খাতড়ার মহকুমা পুলিস আধিকারিকের (এসডিপিও) নেতৃত্বে ছ’সদস্যের ওই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ওই টিমে সাইবার ক্রাইম বিশেষজ্ঞদেরও রাখা হয়েছে। দুঃসাহসিক ওই ছিনতাইয়ের পর দু’সপ্তাহ কেটে গেলেও পুলিস ঘটনার কিনারা করতে পারেনি। দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করা দূরের কথা, পুলিস এখনও পর্যন্ত তাদের গতিবিধিও ঠিকমতো ‘ট্র্যাক’ করতে পারেনি বলে তদন্তকারীরা স্বীকার করে নিয়েছেন। এতদিন খাতড়া থানার পুলিস ওই ঘটনার তদন্ত করছিল। তদন্তে খাতড়া থানা ব্যর্থ হওয়ায় জেলা পুলিসের কর্তারা আর তাদের উপর ভরসা রাখতে পারেননি। ফলে তাঁরা সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে।
Advertisement
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, ছিনতাইকারীদের ধরতে আমরা সবরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। তদন্তের জন্য সিট গঠন করা হয়েছে।
জেলা পুলিসের এক কর্তা বলেন, টানা দু’সপ্তাহ তদন্ত চালিয়ে খাতড়া থানা বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। ফলে আমরা শুধুমাত্র ওই থানার উপর ভরসা করে বসে থাকতে চাইছি না। সেই কারণে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। খাতড়ার এসডিপিও অভিষেক যাদবের নেতৃত্বে ওই দল গঠিত হয়েছে। ওই দলে দু’জন ইন্সপেক্টর, দু’জন সাব ইন্সপেক্টর ও অন্যান্য পুলিস আধিকারিকরা রয়েছেন। খাতড়া থানার পাশাপাশি রাইপুর, রানিবাঁধ ও বাঁকুড়া সাইবার থানার আধিকারিকদের দলে রাখা হয়েছে। দুষ্কৃতীরা ঘটনার পর একাধিক থানা এলাকা হয়ে রাজ্য ছেড়েছে। তারা যাওয়ার সময় মোবাইলে কথাবার্তা বলেছে বলে আমাদের অনুমান। কল রেকর্ড সহ অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখার জন্য সাইবার ক্রাইম থানার এক আধিকারিককে সিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ডিসেম্বর ভোরে বাঁকুড়া শহর থেকে পত্র-পত্রিকা নিয়ে একটি চারচাকার গাড়ি খাতড়া যাচ্ছিল। খাতড়া থানার সুপুর এলাকায় বাঁকুড়া-রানিবাঁধ রাজ্য সড়কে ছিনতাইকারীরা গাড়িটিকে আটকায়। একটি চারচাকা গাড়িকে তারা কাগজের গাড়িটির সামনে আড়াআড়ি দাঁড় করিয়ে দেয়। তারপর চালককে ‘গান পয়েন্টে’ রেখে দুষ্কৃতীরা অপারেশন সারে। খাতড়া থানার পুলিস অভিযোগ জমা ও তদন্ত শুরু করতেই অনেকটা দেরি করে ফেলে। তারমধ্যেই দুষ্কৃতীরা পুরুলিয়া হয়ে ঝাড়খণ্ডে পালিয়ে যায়। ফলে এখনও পুলিস দুষ্কৃতীদের নাগাল পায়নি। সিআইডি-র আর্টিস্ট নিয়ে এসে জেলা পুলিসের কর্তারা সন্দেহভাজন দুষ্কৃতীদের স্কেচ আঁকানোর উদ্যোগ নেন। কিন্তু, দুষ্কৃতীদের মুখ ঢাকা থাকায় ছিনতাই হওয়া গাড়ির চালক তেমন কোনও ‘ক্লু’ দিতে পারেননি। ছিনতাইয়ের ঘটনায় এভাবে পুলিসকে শেষ কবে নাকানিচোবানি খেতে হয়েছে, তা আধিকারিকরা মনে করতে পারছেন না।
জেলা পুলিসের এক কর্তা বলেন, টানা দু’সপ্তাহ তদন্ত চালিয়ে খাতড়া থানা বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। ফলে আমরা শুধুমাত্র ওই থানার উপর ভরসা করে বসে থাকতে চাইছি না। সেই কারণে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। খাতড়ার এসডিপিও অভিষেক যাদবের নেতৃত্বে ওই দল গঠিত হয়েছে। ওই দলে দু’জন ইন্সপেক্টর, দু’জন সাব ইন্সপেক্টর ও অন্যান্য পুলিস আধিকারিকরা রয়েছেন। খাতড়া থানার পাশাপাশি রাইপুর, রানিবাঁধ ও বাঁকুড়া সাইবার থানার আধিকারিকদের দলে রাখা হয়েছে। দুষ্কৃতীরা ঘটনার পর একাধিক থানা এলাকা হয়ে রাজ্য ছেড়েছে। তারা যাওয়ার সময় মোবাইলে কথাবার্তা বলেছে বলে আমাদের অনুমান। কল রেকর্ড সহ অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখার জন্য সাইবার ক্রাইম থানার এক আধিকারিককে সিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ডিসেম্বর ভোরে বাঁকুড়া শহর থেকে পত্র-পত্রিকা নিয়ে একটি চারচাকার গাড়ি খাতড়া যাচ্ছিল। খাতড়া থানার সুপুর এলাকায় বাঁকুড়া-রানিবাঁধ রাজ্য সড়কে ছিনতাইকারীরা গাড়িটিকে আটকায়। একটি চারচাকা গাড়িকে তারা কাগজের গাড়িটির সামনে আড়াআড়ি দাঁড় করিয়ে দেয়। তারপর চালককে ‘গান পয়েন্টে’ রেখে দুষ্কৃতীরা অপারেশন সারে। খাতড়া থানার পুলিস অভিযোগ জমা ও তদন্ত শুরু করতেই অনেকটা দেরি করে ফেলে। তারমধ্যেই দুষ্কৃতীরা পুরুলিয়া হয়ে ঝাড়খণ্ডে পালিয়ে যায়। ফলে এখনও পুলিস দুষ্কৃতীদের নাগাল পায়নি। সিআইডি-র আর্টিস্ট নিয়ে এসে জেলা পুলিসের কর্তারা সন্দেহভাজন দুষ্কৃতীদের স্কেচ আঁকানোর উদ্যোগ নেন। কিন্তু, দুষ্কৃতীদের মুখ ঢাকা থাকায় ছিনতাই হওয়া গাড়ির চালক তেমন কোনও ‘ক্লু’ দিতে পারেননি। ছিনতাইয়ের ঘটনায় এভাবে পুলিসকে শেষ কবে নাকানিচোবানি খেতে হয়েছে, তা আধিকারিকরা মনে করতে পারছেন না।



