সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ফরাক্কার ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে খোসালপুর সেতুর কাছে তিন কিমির মধ্যে রাস্তা পারাপারের সুযোগ নেই। ফলে জাতীয় সড়কের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে স্থানীয়রা সমস্যায় পড়েন। জাতীয় সড়কের দু’পারের মানুষের রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা করার জন্য বহুদিন ধরেই দাবি উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে নিয়ে খোসালপুরে যান ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ওই এলাকা পরিদর্শন করে। যাতায়াতের সুবিধার্থে সেখানে পারাপারের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেয় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
বিধায়ক বলেন, এলাকাবাসীর সমস্যার কথা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল। তাঁরা এদিন এলাকা পরিদর্শন করে যান। উভয় প্রান্তের মানুষ যাতে যাতায়াত করতে পারেন, সেজন্য খুব তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা করা হবে। জাতীয় সড়কের প্রজেক্ট ডিরেক্টর অজয় পি গাদেকর বলেন, আমরা ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। ইঞ্জিনিয়ারা এবিষয়ে রিপোর্ট দেবেন। খোসালপুরের আশপাশের জাতীয় সড়ক পারাপারের কোনও রাস্তা নেই। ফলে জাতীয় সড়কের দু’পারের মানুষকে সড়ক পেরোতে প্রায় তিনি কিমি ঘুরপথে যেতে হয়। এতে য়স্ক ও শিশুরা সমস্যায় পড়ে। সময় বাঁচাতে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের রেলিং ও ডিভাইডার টপকে কখনও হেঁটে, আবার কখনও বাইকে পারাপার করেন। ফলে প্রায়শই দুর্ঘটনাও ঘটে। ওই এলাকায় পারাপারের ব্যবস্থা হয়ে গেলে সেই সমস্যা আর থাকবে না।
স্থানীয় বাসিন্দা মোবারক মোমিন বলেন, এলাকায় পারাপারের ব্যবস্থা না থাকায় খুব সমস্যা হয়। অনেকটা পথ ঘুরতে হয়। অনেকেই শর্টকাটে রেলিং ও ডিভাইডার টপকে যেতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন।
স্থানীয় বাসিন্দা মোবারক মোমিন বলেন, এলাকায় পারাপারের ব্যবস্থা না থাকায় খুব সমস্যা হয়। অনেকটা পথ ঘুরতে হয়। অনেকেই শর্টকাটে রেলিং ও ডিভাইডার টপকে যেতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন।



