সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: বুধবার পাড়ুই থানার বাঁধনবগ্রামে কয়েক বিঘা সরকারি খাসজমি রক্ষণাবেক্ষণ করতে গিয়ে এলাকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের ক্ষোভের মুখে পড়লেন সরকারি কর্মীরা। জেসিবি নিয়ে জমি পরিষ্কার করার কাজ শুরু হলে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করেন আদিবাসী মানুষজন। জেসিবি চালককে ঘিরে মারমুখী হয়ে ওঠে তারা। তারপরেই কাজ বন্ধ করে সেখান থেকে চলে যান আধিকারিকরা। যদিও এই বিষয়ে প্রশাসন স্তরে কারও কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Advertisement
বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের পাড়ুই থানার কসবা পঞ্চায়েতের বাঁধনবগ্রামে সরকারি নির্দেশমতো বুধবার খাসজমি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হয়। জানা গিয়েছে ওই এলাকায় বেশকয়েক বিঘা জমি দীর্ঘদিন ধরে চাষ ও নানান কাজে ব্যবহার করছে স্থানীয় আদিবাসীরা। কিন্তু সেই জমির পাট্টা তাঁদের নামে নেই। অভিযোগ, তাঁরা বেশ কয়েকবার পাট্টার জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু এখনও অবধি তাঁদের নামে জমির পাট্টা হয়নি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুন মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, বিভিন্ন এলাকায় বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। সেইমতো এদিন জেসিবি দিয়ে ওই খাসজমি সমান করার কাজ শুরু হয়। কিন্তু খবর পেয়ে স্থানীয় আদিবাসীরা এসে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ এই জমি তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে চাষ সহ অন্য কাজে ব্যবহার করে আসছেন। এদিন তাঁরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে জেসিবি চালকের উপর। লাঠি বাঁশ নিয়ে তাঁকে মারতেও উদ্যত হন আদিবাসীরা। বেগতিক বুঝে এলাকা ছেড়ে চলে যান জেসিবি চালক।
এলাকার বাসিন্দা তথা জমি ব্যবহারকারী অর্চনা মাল, হারাধন মাল, সোমনাথ হাঁসদা, সুশান্ত মাঝি বলেন, আমরা ও আমাদের পরিবার বিগত বহু বছর ধরে এই জমি ব্যবহার করে আসছি। আমরা জানতে পেরেছি, এই এলাকাতেই একটি বেসরকারি আবাসনের জন্য আদিবাসীদের জমি নেওয়া হয়েছে। তাঁদেরকেই এখানে পুনর্বাসন দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা আমাদের জমি ছাড়ব না।
বোলপুরের ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি নির্দেশিকা মতো খাসজমি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হচ্ছিল। কিন্তু স্থানীয়রা বিষয়টি ভুল বোঝায় অশান্তি হয়। অবশ্য তারপর কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুন মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, বিভিন্ন এলাকায় বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। সেইমতো এদিন জেসিবি দিয়ে ওই খাসজমি সমান করার কাজ শুরু হয়। কিন্তু খবর পেয়ে স্থানীয় আদিবাসীরা এসে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ এই জমি তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে চাষ সহ অন্য কাজে ব্যবহার করে আসছেন। এদিন তাঁরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে জেসিবি চালকের উপর। লাঠি বাঁশ নিয়ে তাঁকে মারতেও উদ্যত হন আদিবাসীরা। বেগতিক বুঝে এলাকা ছেড়ে চলে যান জেসিবি চালক।
এলাকার বাসিন্দা তথা জমি ব্যবহারকারী অর্চনা মাল, হারাধন মাল, সোমনাথ হাঁসদা, সুশান্ত মাঝি বলেন, আমরা ও আমাদের পরিবার বিগত বহু বছর ধরে এই জমি ব্যবহার করে আসছি। আমরা জানতে পেরেছি, এই এলাকাতেই একটি বেসরকারি আবাসনের জন্য আদিবাসীদের জমি নেওয়া হয়েছে। তাঁদেরকেই এখানে পুনর্বাসন দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা আমাদের জমি ছাড়ব না।
বোলপুরের ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি নির্দেশিকা মতো খাসজমি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হচ্ছিল। কিন্তু স্থানীয়রা বিষয়টি ভুল বোঝায় অশান্তি হয়। অবশ্য তারপর কাজ বন্ধ হয়ে যায়।



