সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপ থানার পরাণগঞ্জ এলাকায় সরকারি জমি দখল করে প্রোমোটারির অভিযোগে রবিবার সরব হয় এলাকাবাসী। ঘটনার প্রতিবাদ করতেই প্রোমোটারদের সঙ্গে এলাকাবাসীর বচসা থেকে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। এলাকাবাসী সহ তৃণমূলের একাংশের অভিযোগ, গ্রামের কিছু ব্যক্তি অবৈধভাবে ওই সরকারি জমি রেজিস্ট্রেশন করে প্রোমোটারদের বিক্রি করে দিয়েছে। তারাও তৃণমূল করে। অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্তদের দাবি, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ব্যক্তিগত জমি বিক্রি করা হয়েছে প্রোমোটারদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিস বাহিনী আসে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের অধীনে পরাণগঞ্জ গ্রাম। ওই গ্রাম দুর্গাপুর শহর লাগোয়া হওয়ায় ব্যাঙের ছাতার মতো বহুতল আবাসন গড়ে উঠছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেশ কয়েক বিঘা পরিত্যক্ত সরকারি জমি রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এক সময়ে সেই সমস্ত জমিতে চাষবাস করতেন। অভিযোগ, তেমনি একটি সরকারি জমি প্রোমোটারদের অবৈধভাবে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। ওই জমি উন্নয়ন করতে প্রোমোটাররা ইতিমধ্যেই নির্মাণ সামগ্রী মজুত করেছে। এর পরেই এলাকাবাসী ও তৃণমূলের একাংশ ক্ষুব্ধ হয়ে এদিন কাজে বাধা দেন। তৃণমূল কর্মী মুক্তি ঘোষ বলেন, এটি সরকারি জমি। অবৈধভাবে আসানসোল থেকে জমি রেজিস্ট্রেশন করে প্রোমোটারদের বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এইভাবে খাসজমি লুট হলে এলাকার মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হবে।
অভিযুক্ত স্থানীয় বাসিন্দা উত্তম গোপ বলেন, আমরা চাষবাস করতাম এই জমিতে। প্রায় ৬ বিঘা জমি রয়েছে। আমার কাকার ছেলেদের নামে জমিটা রেকর্ড আছে। তাঁরা বিক্রি করেছে। আমিও তৃণমূল করি। এখানে তৃণমূলের কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। আমরা চাই এলাকায় উন্নয়ন হোক। কিছু বেকারের কর্মসংস্থান হবে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক সুজিত মুখোপাধ্যায় বলেন, জমি নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে শুনেছি। তবে ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এসব বিরোধীদের চক্রান্ত। কোনও অবৈধ কাজ বরদাস্ত করা হবে না। যদি সরকারি জমি হয়ে থাকে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযুক্ত স্থানীয় বাসিন্দা উত্তম গোপ বলেন, আমরা চাষবাস করতাম এই জমিতে। প্রায় ৬ বিঘা জমি রয়েছে। আমার কাকার ছেলেদের নামে জমিটা রেকর্ড আছে। তাঁরা বিক্রি করেছে। আমিও তৃণমূল করি। এখানে তৃণমূলের কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। আমরা চাই এলাকায় উন্নয়ন হোক। কিছু বেকারের কর্মসংস্থান হবে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক সুজিত মুখোপাধ্যায় বলেন, জমি নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে শুনেছি। তবে ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এসব বিরোধীদের চক্রান্ত। কোনও অবৈধ কাজ বরদাস্ত করা হবে না। যদি সরকারি জমি হয়ে থাকে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



