নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও খয়রাশোলে অজয় নদ থেকে অবাধে বালি তোলা চলছে। জেলা সদরের এক প্রান্তে হওয়ায় খয়রাশোলের দিকে অনেকটাই নজর কম থাকে প্রশাসনের। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নদী থেকে দেদার বালি লুটের অভিযোগ সামনে আসছে। পারসুন্ডি এলাকায় নদী থেকে বালি তুলে ট্রাক্টরে করে বিভিন্ন জায়গায় স্টক করা হচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডগাতেই রাতারাতি বালি কেটে পাচার হয়ে যাচ্ছে। যদিও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের দাবি, অভিযোগ কানে এসেছে। এবার সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার সিরে, বিনুই, নবাসন, বড়জোর সহ একাধিক গ্রামে দিনেদুপুরে বালি লুট চলছে। অজয় থেকে লুকিয়ে জেসিবি মেশিন দিয়ে বালি তোলা হচ্ছে। কখনও আবার কোদাল, বেলচা দিয়ে বালি কেটে ট্রাক্টরে লোড করা হচ্ছে। রসা-সাহাপুর রোডের ধারে বসবাসকারী বাসিন্দাদের অভিযোগ, বালিবোঝাই ট্রাক্টরগুলি অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে চলাচল করে। দ্রুতগতিতে থাকার ফলে যে কোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। লুকিয়েচুরিয়ে লরি, ডাম্পারে লোড করে বালি পাচার তো চলেই। স্থানীয় মানুষজনের দাবি, প্রতিবাদ করার কোনও উপায় নেই। কিছু বললেই জানানো হয়, উপর থেকে সব অনুমতি আছে। অথচ এই মুহূর্তে জেলাশাসকের নির্দেশমতো কোনওভাবেই নদী থেকে বালি তোলায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। প্রশাসন দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নিক।
অভিযোগ, বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে নবাসনের শ্মশানঘাটও শেষ হয়ে গিয়েছে। শেষকৃত্য হওয়ার জায়গায়ও নজর পড়েছে বালি পাচারকারীদের। সেই এলাকার বালিও তুলে ফাঁকা করে দিচ্ছে। এমন একাধিক জায়গা থেকে বালি পাচারের অভিযোগ সামনে আসছে। রাজনগর, মহম্মদবাজার সহ জেলার প্রায় সবদিকেই নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নদী থেকে বালি তোলা চলছে। এনিয়ে পুলিস-প্রশাসনকেই দুষছেন মানুষজন। পাশাপাশি স্টকপয়েন্টের লিজ পাওয়া বালি ব্যবসায়ীদেরও দাবি, বেআইনিভাবে বালি তোলায় তাদের ক্ষতি হচ্ছে। এইসব এলাকা থেকে কম টাকায় বালি বিক্রি করে দেওয়ায় বৈধ লিজ হোল্ডারদের থেকে চাহিদা কমছে। এতে মার খাচ্ছেন তাঁরা। সেকারণে প্রশাসনকে বালি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি রাখছেন ব্যবসায়ীরা।
প্রশাসনের দাবি, অভিযোগ আসামাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রাজনগর, মহম্মদবাজার, খয়রাশোল, দুবরাজপুর, মুরারই, ইলামবাজার সবদিকেই বিশেষ অভিযান চলবে। এখন জেলাশাসক বৈধ লিজার হোল্ডারদের নদী থেকে বালি তোলার অনুমতি দেননি। ফলে নদী থেকে বালি তোলাই বেআইনি। এপ্রসঙ্গে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, শুনেছি ট্রাক্টরে করে নদী থেকে বালি তুলে স্টকপয়েন্টে ফেলা হচ্ছে। সেগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা আধিকারিকরা সারপ্রাইজ ভিজিট করবেন। ডিএসপি(ডিইবি) স্বপনকুমার চক্রবর্তী বলেন, আমাদের বিভাগ রাতেও অভিযান চালাচ্ছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - ফাইল চিত্র
অভিযোগ, বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে নবাসনের শ্মশানঘাটও শেষ হয়ে গিয়েছে। শেষকৃত্য হওয়ার জায়গায়ও নজর পড়েছে বালি পাচারকারীদের। সেই এলাকার বালিও তুলে ফাঁকা করে দিচ্ছে। এমন একাধিক জায়গা থেকে বালি পাচারের অভিযোগ সামনে আসছে। রাজনগর, মহম্মদবাজার সহ জেলার প্রায় সবদিকেই নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নদী থেকে বালি তোলা চলছে। এনিয়ে পুলিস-প্রশাসনকেই দুষছেন মানুষজন। পাশাপাশি স্টকপয়েন্টের লিজ পাওয়া বালি ব্যবসায়ীদেরও দাবি, বেআইনিভাবে বালি তোলায় তাদের ক্ষতি হচ্ছে। এইসব এলাকা থেকে কম টাকায় বালি বিক্রি করে দেওয়ায় বৈধ লিজ হোল্ডারদের থেকে চাহিদা কমছে। এতে মার খাচ্ছেন তাঁরা। সেকারণে প্রশাসনকে বালি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি রাখছেন ব্যবসায়ীরা।
প্রশাসনের দাবি, অভিযোগ আসামাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রাজনগর, মহম্মদবাজার, খয়রাশোল, দুবরাজপুর, মুরারই, ইলামবাজার সবদিকেই বিশেষ অভিযান চলবে। এখন জেলাশাসক বৈধ লিজার হোল্ডারদের নদী থেকে বালি তোলার অনুমতি দেননি। ফলে নদী থেকে বালি তোলাই বেআইনি। এপ্রসঙ্গে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, শুনেছি ট্রাক্টরে করে নদী থেকে বালি তুলে স্টকপয়েন্টে ফেলা হচ্ছে। সেগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা আধিকারিকরা সারপ্রাইজ ভিজিট করবেন। ডিএসপি(ডিইবি) স্বপনকুমার চক্রবর্তী বলেন, আমাদের বিভাগ রাতেও অভিযান চালাচ্ছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - ফাইল চিত্র



