নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বিলাসি জীবনে অভ্যস্ত মহুয়া নিজের দুই ছেলেকে বিপদে ফেলতেও দু’বার ভাবেনি। তার দুই ছেলে পলিটেকনিক পড়ছিল। চাকরি করে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন ছিল তাদের চোখে। কিন্তু, মায়ের জন্য তাদেরও শ্রীঘরে যেতে হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগি অপরাধীদের মতো মহুয়া খুনের আগে রেকি করেছিল। কীভাবে মেসো এবং মাসিকে খুন করে তারা আলমারিতে থাকা সোনার অলঙ্কার এবং টাকা লুট করবে, তা নিয়ে আগেই মহড়া দিয়েছিল। মহুয়া তার বড় ছেলেকে খুন করার পদ্ধতি শিখিয়ে দেয়। শ্বাসরোধ করে তারা ওই দম্পতিকে খুন করবে বলে আগেই ঠিক করেছিল। মেসো এবং মাসি টাকা দিতে না চাওয়ায় তারা বাড়িতে লুটের পরিকল্পনা করে। সেই মতো আলমারি ভেঙে তারা সব কিছু চুরি করেছিল।
Advertisement
পুলিসের দাবি, খুন করার পর মহুয়ার মতো তার বড় ছেলে নির্বিকার রয়েছে। তারমধ্যে কোনও আফশোস নেই। প্রথম দিকে সে কোনও কিছু স্বীকার করতে চাইছিল না। পরে দফায় দফায় জেরার পর সে নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে। কিন্তু, কৃতকর্মের জন্য তার কোনও অনুশোচনা নেই। তবে তার ভাই ভেঙে পড়েছে।
মহুয়া পুলিসকে জানিয়েছে, অনেকের কাছে টাকা ধার হয়ে যাওয়ায় সে চাপে ছিল। ছেলেদের পড়াশোনার খরচ চালাতেও সে বেগ পায়। কোনও উপায় না দেখে সে মেসো এবং মাসিকে খুনের সিদ্ধান্ত নেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মহুয়াকে আগে তার মেসো এবং মাসি খুব ভালোবাসতেন। তার বিয়ের সময়েও তাঁরা অনেক টাকা খরচ করেছিলেন। সোনার গয়না দেন। বিয়ের পরও তাকে তাঁরা বহুবার টাকা দেন। কিন্তু তার চাহিদার শেষ ছিল না। সে টাকার জন্য চাপ দিতেই থাকে। তাতে তাঁরা ক্ষুব্ধ হন। মেসো এবং মাসির সম্পত্তির উপর মহুয়ার বহুদিন ধরেই নজর ছিল। তাঁদের ছেলে মেয়ে না থাকায় মেসো এবং মাসি তার নামে সম্পত্তি লিখে দেবে বলে মনে করেছিল। কিন্তু, মহুয়ার আচরণে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে দূরত্ব বাড়ান। অন্য আত্মীয়দের সঙ্গে তাঁদের সুসম্পর্ক তৈরি হয়। তাতে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় ভুগতে থাকে মহুয়া। তারপরই সে খুনের ছক কষতে থাকে। খুন করার পর তাঁদের সম্পত্তির দলিলও তারা হাতিয়ে নিয়েছিল। সেটা তাদের কাছে থাকলে অন্য কেউ সম্পত্তি দখল করতে পারবে না বলে তার ধারণা হয়েছিল। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, খুনের বিভিন্ন প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তাছাড়া তারা নিজেরাও খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। তাদের সাজা নিশ্চিত। তারা একটি বালিশ এবং চার্জারের তার দিয়ে শ্বাসরোধ করেছিল। সেসব কিছু উদ্ধার হয়েছে।
মহুয়া পুলিসকে জানিয়েছে, অনেকের কাছে টাকা ধার হয়ে যাওয়ায় সে চাপে ছিল। ছেলেদের পড়াশোনার খরচ চালাতেও সে বেগ পায়। কোনও উপায় না দেখে সে মেসো এবং মাসিকে খুনের সিদ্ধান্ত নেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মহুয়াকে আগে তার মেসো এবং মাসি খুব ভালোবাসতেন। তার বিয়ের সময়েও তাঁরা অনেক টাকা খরচ করেছিলেন। সোনার গয়না দেন। বিয়ের পরও তাকে তাঁরা বহুবার টাকা দেন। কিন্তু তার চাহিদার শেষ ছিল না। সে টাকার জন্য চাপ দিতেই থাকে। তাতে তাঁরা ক্ষুব্ধ হন। মেসো এবং মাসির সম্পত্তির উপর মহুয়ার বহুদিন ধরেই নজর ছিল। তাঁদের ছেলে মেয়ে না থাকায় মেসো এবং মাসি তার নামে সম্পত্তি লিখে দেবে বলে মনে করেছিল। কিন্তু, মহুয়ার আচরণে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে দূরত্ব বাড়ান। অন্য আত্মীয়দের সঙ্গে তাঁদের সুসম্পর্ক তৈরি হয়। তাতে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় ভুগতে থাকে মহুয়া। তারপরই সে খুনের ছক কষতে থাকে। খুন করার পর তাঁদের সম্পত্তির দলিলও তারা হাতিয়ে নিয়েছিল। সেটা তাদের কাছে থাকলে অন্য কেউ সম্পত্তি দখল করতে পারবে না বলে তার ধারণা হয়েছিল। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, খুনের বিভিন্ন প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তাছাড়া তারা নিজেরাও খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। তাদের সাজা নিশ্চিত। তারা একটি বালিশ এবং চার্জারের তার দিয়ে শ্বাসরোধ করেছিল। সেসব কিছু উদ্ধার হয়েছে।



