নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: খানাকুলের কেদারপুরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি চাষযোগ্য করতে এবার সেই জায়গা সরেজমিনে দেখল জেলা পরিষদ। শুক্রবার হুগলি জেলা পরিষদের কৃষি, সেচ ও সমবায় কর্মাধ্যক্ষ মদনমোহন কোলে কেদারপুরে আসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়াররা। খানাকুল-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মাইতি, সহ-সভাপতি মিন্টু পালও সেখানে হাজির ছিলেন।
Advertisement
সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ ডিভিসির ছাড়া জলে মুণ্ডেশ্বরী নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। খানাকুলের কেদারপুর এলাকার জয়রামচকে বিশাল অংশের বাঁধ ভেঙে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় তিন একর জমিতে গর্ত হয়ে পুকুরের আকার ধারণ করে। এতে ওই জমির ধান নষ্ট হয়েছে। সেইসঙ্গে আলুচাষ নিয়েও সেখানকার কৃষকরা চিন্তায় পড়েছেন। এমনকী, নদীর সঙ্গে থাকা সেচপাম্পও অকেজো হয়ে পড়েছে। তাই ওই সমস্ত জমি চাষযোগ্য করে তুলতে চাষিরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।
এদিন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত জমি ঘুরে দেখার পাশাপাশি চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন। চাষিরা তাড়াতাড়ি সমস্যা মেটাতে পদক্ষেপের আর্জি জানান। কর্মাধ্যক্ষ বলেন, ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত শুরু হয়েছে। ভাঙনের জেরে বহু জমিতে বালি পড়েছে। সেইসঙ্গে গর্ত হয়ে পুকুরের আকার নিয়েছে। রিভার লিফক্টিং পাম্পের অস্তিত্ব কার্যত নেই। চাষিদের দাবি মেনে আমরা তাড়াতাড়ি এখানকার জমি চাষযোগ্য করে তোলার পাশাপাশি সেচের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব।
এদিন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত জমি ঘুরে দেখার পাশাপাশি চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন। চাষিরা তাড়াতাড়ি সমস্যা মেটাতে পদক্ষেপের আর্জি জানান। কর্মাধ্যক্ষ বলেন, ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত শুরু হয়েছে। ভাঙনের জেরে বহু জমিতে বালি পড়েছে। সেইসঙ্গে গর্ত হয়ে পুকুরের আকার নিয়েছে। রিভার লিফক্টিং পাম্পের অস্তিত্ব কার্যত নেই। চাষিদের দাবি মেনে আমরা তাড়াতাড়ি এখানকার জমি চাষযোগ্য করে তোলার পাশাপাশি সেচের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব।



