Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খানাকুলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা চিহ্নিত করতে ক্রপ কাটিং শুরু

খানাকুলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা চিহ্নিত করতে ক্রপ কাটিং শুরু
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: চাষি প্রতি ৩৫ কুইন্টাল আলু কেনার সরকারি ঘোষণায় আশায় বুক বাঁধছেন আরামবাগ মহকুমার চাষিরা। আগামী ১ মার্চ থেকে ৯ টাকা কেজি দরে আলু কেনা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। চাষি পিছু সর্বোচ্চ ৭০ প্যাকেট আলু কিনবে রাজ্য। এমন ঘোষণায় মহকুমায় অভাবী বিক্রি অনেকটাই কমানো যাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। হুগলি জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, এব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত হিমঘরগুলিতে প্রান্তিক চাষিদের আলু রাখার জন্য ৩০ শতাংশ জায়গা নিশ্চিত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। গ্রামস্তরের ক্ষুদ্র চাষিদের সেই খবর পৌঁছে দিতেও প্রশাসনের তরফে লাগাতার প্রচার চালানো হচ্ছে। বসন্তে অকাল ‘বন্যা’য় খানাকুলের চাষিরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বাঁধ ভেঙে প্রায় ১০০ বিঘা জমির আলু জলের তলায় চলে যায়। যাঁরা সেদিন কোমর সমান জল থেকে আলু তুলতে পেরেছিলেন, প্রশাসন তাঁদের কাছ থেকে ১০ টাকা কেজি দরে আলু কেনে। তবে চাষিরা ক্ষতিপূরণের দাবিতে সরব হন। ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামতির কাজ যেমন হচ্ছে, তেমনই ক্ষতিগ্রস্ত আলু জমির পরিমাণ দেখতে ক্রপ কাটিংয়ের কাজ শুরু করেছে কৃষিদপ্তর। খানাকুল-২ কৃষিদপ্তরের আধিকারিক শুভময় ঘোষ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করতে ক্রপকাটিং করা হচ্ছে। প্রাথমিক রিপোর্ট জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, বিমার আওতায় থাকা ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।  কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, চিংড়া, পলাশপাই-১ পঞ্চায়েত এলাকায় গড়ে ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি জমিতে ক্রপ কাটিং চলছে। অসময়ে বৃষ্টির জেরে যেসব এলাকায় ক্ষতি হয়েছে, সেখানে গড়ে একটি করে জমি দেখা হচ্ছে। অনেক জায়গায় আলু পচে গিয়েছে।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ