সংবাদদাতা, বর্ধমান: খণ্ডঘোষ থানার শিকারপুরে এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম রিম্পা মোল্লা(২৫)। বাঁকুড়ার কোতুলপুরে তাঁর বাপেরবাড়ি। মঙ্গলবার ভোররাতে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতার বাপেরবাড়ির অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে মারধরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে পরিবারের তরফে খণ্ডঘোষ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তার ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিস। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দশেক আগে রিম্পার সঙ্গে শিকারপুরের জসীমউদ্দিন মোল্লার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। তাঁকে মাঝেমধ্যেই মারধর করা হতো। ১৮ ডিসেম্বর তাঁকে মারধর করা হয়। মারধরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হয়। হাসপাতাল থেকে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। বাড়ি ফেরার পর সোমবার সন্ধ্যায় তিনি ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন। বর্ধমান হাসপাতালে ফের তাঁকে আনা হয়। খণ্ডঘোষ থানার এক অফিসার বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আউশগ্রামে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু: আউশগ্রাম থানার বড়া চৌমাথা এলাকায় ডাম্পারের ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম সুরেশ মাল(৩৫)। মঙ্গলকোট থানার দেবগ্রামে তাঁর বাড়ি। বর্তমানে তিনি আউশগ্রামের বড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় বর্ধমান-বোলপুর রোড ধরে তিনি হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় একটি ডাম্পার তাঁকে ধাক্কা মেরে পালায়। তাতে তিনি গুরুতর জখম হন। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ভর্তির ঘণ্টাখানেক পর তিনি মারা যান।
Advertisement
আত্মঘাতী মহিলা: হুগলির ধনিয়াখালি থানার সমসপুরে কীটনাশক খেয়ে এক মহিলা আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম ঝর্ণা মালিক(৪০)। দিনকয়েক আগে বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে ধনিয়াখালি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে চুঁচুড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সোমবার রাতে তিনি মারা যান। পরিবারের দাবি, তিনি মানসিক রোগী ছিলেন। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।



