Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

খলিস্তানি কট্টরপন্থা ও হিন্দুত্ব নয়া বিপদ, ব্রিটিশ নথিকে ঘিরে শোরগোল

খলিস্তানি কট্টরপন্থা ও হিন্দুত্ব নয়া বিপদ, ব্রিটিশ নথিকে ঘিরে শোরগোল
  • ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
লন্ডন: খালিস্তানি ও গেরুয়া সন্ত্রাস নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্রিটেন! ব্রিটিশ সরকারের একটি নথি থেকে সেই তথ্যই মিলছে। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সেই নথি সম্প্রতি ফাঁস হয়ে পড়েছে। সেখানে মোট ছ’টি ক্ষেত্রকে ব্রিটেনের নিরাপত্তার জন্য ‘নয়া বিপদ’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই তালিকাতেই রয়েছে খালিস্তানি ও হিন্দু জাতীয়তাবাদী কট্টরপন্থা। গত বছর আগস্টে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব ইভেট কুপার একটি কমিটি গড়েছিলেন। সেই কমিটির রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, হিন্দু জাতীয়তাবাদ একটি কট্টরপন্থী মতাদর্শ। স্বাভাবিকভাবেই এই রিপোর্ট ঘিরে শোরগোল তৈরি হয়েছে।
Advertisement
প্রথম সারির একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্র দাবি করেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নথিটি ফাঁস হয়ে হাতে আসে ‘পলিসি এক্সচেঞ্জ’ নামে একটি থ্কি ট্যাঙ্ক সংস্থার কাছে। সরকারি সেই রিপোর্টে এই প্রথমবার হিন্দু জাতীয়তাবাদকে কট্টরপন্থা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। হিন্দুত্বকে বলা হয়েছে উদ্বেগজনক মতাদর্শ। ২০২২ সালের লিস্টার দাঙ্গার প্রেক্ষিতে হিন্দু জাতীয়তাবাদকে নয়া বিপদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ওই বছর ২৮ আগস্ট এশিয়া কাপে ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচকে কেন্দ্র করে ব্রিটিশ হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল।
খালিস্তানি ও হিন্দু জাতীয়তাবাদী কট্টরপন্থা ছাড়াও যে ন’টি ক্ষেত্রকে নয়া বিপদ বলে মনে করছে ব্রিটেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অতি দক্ষিণপন্থী, অতিবাম, নৈরাজ্যবাদী ও  ইসলামি কট্টরপন্থা। এধরনের বিপদকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মোকাবিলার কথাও বলা হয়েছে রিপোর্টে। শুধু তাই নয়, কানাডা ও আমেরিকায় শিখদের বিরুদ্ধে হিংসায় ভারতের যুক্ত থাকার যে অভিযোগ উঠেছে, সেই বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ফাঁস হওয়া নথিতে। রিপোর্টটি যৌথভাবে লিখেছে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে থাকা ‘প্রিভেন্ট’, ‘দ্য রিসার্চ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইউনিট’ (আরআইসিইউ), ‘হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, ‘অ্যানালাইস অ্যান্ড ইনসাইট’ (এইচএসএআই)। তবে এই নথি ফাঁস হওয়ার পর শোরগোল তৈরি হতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড্যান জারভিসের ব্যাখ্যা, কট্টরপন্থার সংজ্ঞা আরও বিস্তারিত করার পরিকল্পনা বর্তমানে ব্রিটিশ সরকারের নেই। ওই রিপোর্ট নতুন কোনও সরকারি নীতির অঙ্গ নয়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ