সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: কমিউনিটি হল নির্মাণ নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে তুমুল বচসা। হাতাহাতি গড়াল মারপিটে। তদন্তে আসা আধিকারিকদের সামনেই মারপিটে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের একাংশ। বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে হরিশ্চন্দ্রপুরের পিপলা মাঠে। খবর পেয়ে আসে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিস। তারপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর-১ এর বিডিও সৌমেন মণ্ডল।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে খবর, পিপলা বাসস্ট্যান্ডের পাশে পিপলা পল্লিমঙ্গল সমিতির প্রায় দু’বিঘার একটি খেলার মাঠ রয়েছে। এক সময় এই মাঠটি পিপলা হাইস্কুলকে দান করা হয়েছিল। সেই থেকেই মাঠটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এদিন ঘটনার পর পিপলা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জয়দেব পান্ডে বলেন, মৌখিকভাবে মাঠটি স্কুলকে দেওয়া হয়েছে। কাগজে কলমে মাঠটি এখনও পিপলা পল্লি মঙ্গল সমিতির নামেই রয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, সম্প্রতি হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৭লক্ষ টাকা ব্যয়ে মাঠের এককোনে তৈরি করা হচ্ছে কমিউনিটি হল। বিজেপির বক্তব্য, পিপলা ও কাশিমপুরবাসীর একমাত্র খেলার মাঠ এটি। খেলার মাঠ দখল করে কমিউনিটি হল নির্মাণ করা যাবে না। অন্য সরকারি জমিতে এই কমিউনিটি হল নির্মাণ করা হোক। এই দাবিতে ৭নভেম্বর বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ। প্রশাসনের নির্দেশে কয়েকদিন কাজ বন্ধও থাকে। সেই অভিযোগ পেয়ে এদিন তদন্তে আসেন পঞ্চায়েত এবং ব্লকের আধিকারিকরা। কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আধিকারিকদেরই সামনে তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায়।
তৃণমূলের দাবি, গ্রামবাসীর দাবি মতোই কমিউনিটি হল নির্মাণ হচ্ছে। আর সেই কাজে বিজেপি বাধা দিচ্ছে। এই অভিযোগের জবাবে বিজেপি নেতা মনোজ দাস বলেন, মাঠের সৌন্দর্য নষ্ট করে কমিউনিটি হল নির্মাণ করা হচ্ছে। তাই আমরা অভিযোগ জানিয়েছিলাম। এতেই তৃণমূলের একাংশ আমাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করতে আসে। আমাদের দাবি, অন্য সরকারি জায়গায় এই হল নির্মাণ করলে আমাদের কোনও আপত্তি থাকবে না।
হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি পূজন দাস বলেন, পঞ্চায়েত থেকে গ্রামবাসীদের সুবিধার্থে মাঠের এককোনে কমিউনিটি হল নির্মাণ হচ্ছে। বিজেপি সবসময় উন্নয়নমূলক কাজে বাধা দেয়। এবারও সেটাই করছে। গোটা বিষয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট দেবাশিস কুণ্ডু বলেন, আপাতত কমিউনিটি হল নির্মাণের কাজ বন্ধ করা হয়েছে। উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে কাজ হবে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, সম্প্রতি হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৭লক্ষ টাকা ব্যয়ে মাঠের এককোনে তৈরি করা হচ্ছে কমিউনিটি হল। বিজেপির বক্তব্য, পিপলা ও কাশিমপুরবাসীর একমাত্র খেলার মাঠ এটি। খেলার মাঠ দখল করে কমিউনিটি হল নির্মাণ করা যাবে না। অন্য সরকারি জমিতে এই কমিউনিটি হল নির্মাণ করা হোক। এই দাবিতে ৭নভেম্বর বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ। প্রশাসনের নির্দেশে কয়েকদিন কাজ বন্ধও থাকে। সেই অভিযোগ পেয়ে এদিন তদন্তে আসেন পঞ্চায়েত এবং ব্লকের আধিকারিকরা। কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আধিকারিকদেরই সামনে তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায়।
তৃণমূলের দাবি, গ্রামবাসীর দাবি মতোই কমিউনিটি হল নির্মাণ হচ্ছে। আর সেই কাজে বিজেপি বাধা দিচ্ছে। এই অভিযোগের জবাবে বিজেপি নেতা মনোজ দাস বলেন, মাঠের সৌন্দর্য নষ্ট করে কমিউনিটি হল নির্মাণ করা হচ্ছে। তাই আমরা অভিযোগ জানিয়েছিলাম। এতেই তৃণমূলের একাংশ আমাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করতে আসে। আমাদের দাবি, অন্য সরকারি জায়গায় এই হল নির্মাণ করলে আমাদের কোনও আপত্তি থাকবে না।
হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি পূজন দাস বলেন, পঞ্চায়েত থেকে গ্রামবাসীদের সুবিধার্থে মাঠের এককোনে কমিউনিটি হল নির্মাণ হচ্ছে। বিজেপি সবসময় উন্নয়নমূলক কাজে বাধা দেয়। এবারও সেটাই করছে। গোটা বিষয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট দেবাশিস কুণ্ডু বলেন, আপাতত কমিউনিটি হল নির্মাণের কাজ বন্ধ করা হয়েছে। উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে কাজ হবে।



