Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খোলা তার বদলে কেবল লাগানোর কাজ ঢিমেতালে, ক্ষোভ বাসিন্দাদের

খোলা তার বদলে কেবল লাগানোর কাজ ঢিমেতালে, ক্ষোভ বাসিন্দাদের
  • ৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, কান্দি: এলাকায় এরিয়াল বাঞ্চড কেবলের কাজ চলছে ঢিমে তালে। ফলে বিদ্যুৎ দপ্তরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন গ্রাহকরা। রাস্তায় বিদ্যুতের খোলা তার কেটে পড়া এবং হুকিং ও লো ভোল্টেজের সমস্যায় জেরবার বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। ঘটনা ভরতপুর ১ ব্লক এলাকার।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় তিনবছর হল এই এলাকায় এরিয়াল বাঞ্চড কেবলের কাজ শুরু হয়েছে। অভিযোগ, ওই কাজ চলছে একেবারে ঢিমেতালে। ফলে হুকিং যেমন বন্ধ হচ্ছে না, তেমনি লো ভোল্টেজের সমস্যা মিটছে না। আঙারপুর গ্রামের বাসিন্দা আলামিন শেখ বলেন, প্রায় তিনবছর আগে এই এলাকায় খোলা তারের বদলে কেবল তার দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাজ শেষ হল না। পল্লিশ্রী গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহক সুভেন্দু রাজবংশী জানান, গ্রামে এখনও প্রচুর জায়গায় খোলা বিদ্যুতের তার রয়েছে। সামান্য ঝড়বৃষ্টি হলেই তার কেটে মাটিতে পড়ছে। আর হুকিং চলছেই। এমনকি হুকিং করে ধান ঝাড়া মেশিনও চলছে। এর ফলে সন্ধ্যা নামতেই লো ভোল্টেজ হয়ে পড়ছে এলাকা। একই অবস্থা খোদ ভরতপুরেও। স্থানীয় বাসিন্দা তরূণ মণ্ডল, সৌমেন দাস, আনোয়ার শেখ প্রমুখ বলেন, কেবল না থাকার কারণেই লো ভোল্টেজ হচ্ছে। গ্রামের অকিাংশ এলাকায় এখনও খোলা তার রয়েছে। মাঝে মধ্যেই গাছপালায় তার লেগে বিদ্যুৎহীন য়ে পড়ছে গ্রাম। 
বিদ্যুৎদপ্তরের ভরতপুর সাপ্লাই অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় প্রায় ৩৬ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছেন। ছ’টি পঞ্চায়েত এলাকায় এই সাপ্লাই অফিস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। গ্রাহকদের পরিষেবা দিতে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার বিদ্যুতের তার রয়েছে। এর মধ্যে এরিয়াল বাঞ্চড কেবলের কাজ হয়েছে প্রায় ৫৭ কিলোমিটার। বাকি রয়েছে বেশিরভাগ অংশ। ২০২১ সাল থেকেই এলাকায় কেবল তার বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।
এবিষয়ে বিদ্যুৎদপ্তরের ভরতপুর স্টেশন ম্যানেজার কিতাবুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সংবাদ মাধ্যমে তথ্য জানানোর অধিকার আমার নেই। তবে ওই অফিসের এক কর্মী বলেন, এই সাপ্লাই অফিস থেকে ১০০ শতাংশের রিকুইজিশন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো রয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পে ঠিকমতো অর্থের জোগান না আসার কারণেই এরিয়াল বাঞ্চড কেবলের কাজ হচ্ছে ঢিমেতালে। ১০০ শতাংশ এরিয়াল বাঞ্চড কেবলের কাজ শেষ হতে আরও দুই বছর লেগে যাবে।
সম্পর্কিত সংবাদ