সংবাদদাতা, পতিরাম: বেড়া-জটে উত্তপ্ত বালুরঘাটের শিবরামপুর সীমান্ত। বিজিবির বাধায় কাঁটাতার দেওয়ার কাজ থমকে। তবে স্থানীয়রা চাইছেন, কাঁটাতার দেওয়া হোক। এই পরিস্থিতির মাঝে রবিবার শিবরামপুর সীমান্তে গেলেন বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোককুমার লাহিড়ী। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত করলেন। বিএসএফের সঙ্গে শিবরামপুরের উন্মুক্ত জায়গা পরিদর্শনও করেন।
Advertisement
বিএসএফ সূত্রে খবর, শিবরামপুর সীমান্তে ৬০০ মিটার জায়গায় বেড়া দেওয়া নিয়ে সমস্যা। বিএসএফের তরফে দেওয়া কাঁটাতারে আপত্তি জানিয়েছে বিজিবি। এদিন সীমান্ত পরিদর্শন করে সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক।
বিধায়ক অশোক বলেন, ওই এলাকায় একটি আদিবাসীপাড়া রয়েছে। পাড়াটি সোজাসুজি ঘেরা দেওয়া হলে ৬০০ মিটার কাঁটাতার লাগবে। কিন্তু অনেক বাড়ি রয়েছে। সেই বাড়িগুলি কাঁটাতারের এপারে রেখে বেড়া দেওয়া হলে ৯০০ মিটার দূরত্ব বাড়বে। কিন্তু বাংলাদেশের আপত্তিতে ঘেরা দেওয়ার কাজ বন্ধ রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যা মিটে যাবে। গ্রামবাসীদেরও বরাভয় দিয়েছেন অশোক। বলেন, ভয়ের কোনও কারণ নেই। বিএসএফের তৎপরতা দেখেও খুশি বিধায়ক।
বাংলাদেশে উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে গত আগস্ট থেকে আতঙ্কিত সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা। কাঁটাতারের ওপারে অনেক বাড়িঘর রয়েছে, সেই বাড়িগুলি পার হলেই বাংলাদেশের ভূখণ্ড। তাই বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে ওপারের বাসিন্দারা আতঙ্কিত। অনেক জায়গায় উন্মুক্ত থাকায় গ্রামবাসীরা দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া চাইছেন। শিবরামপুরের বাসিন্দা অধীর পাহান ও রনেন বর্মন বলেন, আমাদের একটু হলেও আতঙ্কিত। আগে এমন পরিস্থিতি ছিল না। দিনের বেলা কোনও সমস্যা না হলেও রাতে ভয় লাগে। এই এলাকাগুলি কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা হলে আমাদের নিরাপত্তা বাড়বে।
বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুলকিপুরে আবার অন্য সমস্যা। কাঁটাতারের বেড়া দিলে চাষের ক্ষতি হবে। তাই উদ্যোগ নিলেও কাঁটাতার দিতে পারেনি বিএসএফ। গ্রামবাসীরাই ওই কাঁটাতার দেওয়া নিয়ে আপত্তি তুলেছে। ফলে সেখানেও কাঁটাতার দেওয়ার কাজ থমকে। বিএসএফের তরফে নতুন করে মাপজোখ হচ্ছে।
এদিন সেখানে যান বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস। তিনি বিএসএফ এবং গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেন। ওই গ্রামে ৫৭ টি পরিবার রয়েছে। সেই পরিবারগুলিকে কাঁটাতারের এপারে আনতেই সমস্যা।
বিধায়ক অশোক বলেন, ওই এলাকায় একটি আদিবাসীপাড়া রয়েছে। পাড়াটি সোজাসুজি ঘেরা দেওয়া হলে ৬০০ মিটার কাঁটাতার লাগবে। কিন্তু অনেক বাড়ি রয়েছে। সেই বাড়িগুলি কাঁটাতারের এপারে রেখে বেড়া দেওয়া হলে ৯০০ মিটার দূরত্ব বাড়বে। কিন্তু বাংলাদেশের আপত্তিতে ঘেরা দেওয়ার কাজ বন্ধ রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যা মিটে যাবে। গ্রামবাসীদেরও বরাভয় দিয়েছেন অশোক। বলেন, ভয়ের কোনও কারণ নেই। বিএসএফের তৎপরতা দেখেও খুশি বিধায়ক।
বাংলাদেশে উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে গত আগস্ট থেকে আতঙ্কিত সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা। কাঁটাতারের ওপারে অনেক বাড়িঘর রয়েছে, সেই বাড়িগুলি পার হলেই বাংলাদেশের ভূখণ্ড। তাই বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে ওপারের বাসিন্দারা আতঙ্কিত। অনেক জায়গায় উন্মুক্ত থাকায় গ্রামবাসীরা দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া চাইছেন। শিবরামপুরের বাসিন্দা অধীর পাহান ও রনেন বর্মন বলেন, আমাদের একটু হলেও আতঙ্কিত। আগে এমন পরিস্থিতি ছিল না। দিনের বেলা কোনও সমস্যা না হলেও রাতে ভয় লাগে। এই এলাকাগুলি কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা হলে আমাদের নিরাপত্তা বাড়বে।
বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুলকিপুরে আবার অন্য সমস্যা। কাঁটাতারের বেড়া দিলে চাষের ক্ষতি হবে। তাই উদ্যোগ নিলেও কাঁটাতার দিতে পারেনি বিএসএফ। গ্রামবাসীরাই ওই কাঁটাতার দেওয়া নিয়ে আপত্তি তুলেছে। ফলে সেখানেও কাঁটাতার দেওয়ার কাজ থমকে। বিএসএফের তরফে নতুন করে মাপজোখ হচ্ছে।
এদিন সেখানে যান বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস। তিনি বিএসএফ এবং গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেন। ওই গ্রামে ৫৭ টি পরিবার রয়েছে। সেই পরিবারগুলিকে কাঁটাতারের এপারে আনতেই সমস্যা।



