সংবাদদাতা, বহরমপুর: জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় সহায়কমূল্যে ধান কেনার প্রক্রিয়া শুরুই হয়নি। চাষিরা সহায়কমূল্যে ধান বিক্রি করতে পারছেন না। টাকার প্রয়োজনে তাঁরা খোলা বাজারে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। খোলা বাজারের দাম ও সহায়কমূল্যের বিস্তর ফারাক থাকায় চাষিদের ক্ষতি হচ্ছে।
Advertisement
শুক্রবার মুর্শিদাবাদ জেলায় বিভিন্ন আড়তে ১৮০০-১৮৫০টাকা প্রতি কুইন্টাল দামে ধান বিক্রি হয়েছে। যন্ত্রে কাটা ধানের দাম কুইন্টাল প্রতি ২০০ টাকা কম। অথচ ধানের সহায়কমূল্য কুইন্টাল প্রতি ২৩০০টাকা। এছাড়া, প্রতি কুইন্টালে ২০ টাকা করে ইনসেনটিভ পাবেন চাষিরা। জেলা খাদ্য দপ্তর জানিয়েছে, ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হলে সেদিন থেকেই সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু হবে।
চাষিরা জানালেন, মাঠ থেকে ধান কেটে এনে বস্তায় ভরে রাখায় ধানের রং খারাপ হতে শুরু করেছে। বেশ কয়েকদিন হয়ে যাওয়ায় বস্তার ধান ফের রোদে ফেলে শুকোতে হচ্ছে। তাতে ওজনও কমে যাচ্ছে। বহু চাষির বাড়িতে ধান রাখার জায়গা নেই। খড় সহ ধান খামারেই পড়ে রয়েছে।
আমন ধান উঠতে দেরি হওয়ায় মুর্শিদাবাদ জেলায় ১৮ নভেম্বর থেকে সহায়কমূল্যে ধান কেনার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। কিন্ত ১৭ নভেম্বর থেকেই জেলায় সমস্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। ১৯ নভেম্বর নেট পরিষেবা চালুর কথা ছিল। কিন্তু ইন্টারনেট বন্ধের সময়সীমা আরও বাড়ানো হয়েছে। ফলে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। যার জেরে চাষিরা বেকায়দায় পড়েছেন।
বহু প্রান্তিক চাষি আমন ধান বিক্রি করে সেই টাকায় আলু চাষ করেন। তাঁরা সহায়কমূল্যে ধান বিক্রির অপেক্ষায় ছিলেন। সহায়কমূল্যে ধান কেনা শুরু হয়নি। এদিকে, আলু চাষেও দেরি হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে চাষিরা কুইন্টাল প্রতি ৪৫০-৫০০টাকা ক্ষতিতে খোলা বাজারে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
বড়ঞা গ্রামের চাষি মেঘনাথ বাগদি বলেন, আলু চাষে দেরি হচ্ছে। বীজের দামও হু হু করে বাড়ছে। তাই স্থানীয় আড়তে ধান বিক্রি করেই আলু চাষের খরচ তুলতে হচ্ছে। অপর চাষি শওকত মোল্লা বলেন, বাজার থেকে নতুন বস্তা কিনে ৪৫কুইন্টাল ধান বাড়িতে মজুত রেখেছি। সেই ধানের গুণগত মান কমতে শুরু করেছিল। তাই আবার ধান রোদে ফেলে শুকোতে হচ্ছে। এবার ফলন ভালো হলেও ইন্টারনেট বন্ধের কারণে আমরা সমস্যায় পড়েছি।
চাষিরা জানালেন, মাঠ থেকে ধান কেটে এনে বস্তায় ভরে রাখায় ধানের রং খারাপ হতে শুরু করেছে। বেশ কয়েকদিন হয়ে যাওয়ায় বস্তার ধান ফের রোদে ফেলে শুকোতে হচ্ছে। তাতে ওজনও কমে যাচ্ছে। বহু চাষির বাড়িতে ধান রাখার জায়গা নেই। খড় সহ ধান খামারেই পড়ে রয়েছে।
আমন ধান উঠতে দেরি হওয়ায় মুর্শিদাবাদ জেলায় ১৮ নভেম্বর থেকে সহায়কমূল্যে ধান কেনার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। কিন্ত ১৭ নভেম্বর থেকেই জেলায় সমস্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। ১৯ নভেম্বর নেট পরিষেবা চালুর কথা ছিল। কিন্তু ইন্টারনেট বন্ধের সময়সীমা আরও বাড়ানো হয়েছে। ফলে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। যার জেরে চাষিরা বেকায়দায় পড়েছেন।
বহু প্রান্তিক চাষি আমন ধান বিক্রি করে সেই টাকায় আলু চাষ করেন। তাঁরা সহায়কমূল্যে ধান বিক্রির অপেক্ষায় ছিলেন। সহায়কমূল্যে ধান কেনা শুরু হয়নি। এদিকে, আলু চাষেও দেরি হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে চাষিরা কুইন্টাল প্রতি ৪৫০-৫০০টাকা ক্ষতিতে খোলা বাজারে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
বড়ঞা গ্রামের চাষি মেঘনাথ বাগদি বলেন, আলু চাষে দেরি হচ্ছে। বীজের দামও হু হু করে বাড়ছে। তাই স্থানীয় আড়তে ধান বিক্রি করেই আলু চাষের খরচ তুলতে হচ্ছে। অপর চাষি শওকত মোল্লা বলেন, বাজার থেকে নতুন বস্তা কিনে ৪৫কুইন্টাল ধান বাড়িতে মজুত রেখেছি। সেই ধানের গুণগত মান কমতে শুরু করেছিল। তাই আবার ধান রোদে ফেলে শুকোতে হচ্ছে। এবার ফলন ভালো হলেও ইন্টারনেট বন্ধের কারণে আমরা সমস্যায় পড়েছি।



