সুকান্ত বসু, কলকাতা: পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে যাত্রাশিল্পীদের নিগ্রহের ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় উঠল কলকাতার চিৎপুর যাত্রাপাড়ায়। খেজুরি থানা এলাকার বাঁশগড়া বাজারে একটি কালীপুজো কমিটির উদ্যোগে শনিবার রাতে পালা চলাকালীন কোনও সমস্যা বা বিপত্তি হয়নি। কিন্তু স্থানীয় দর্শকদের একাংশ যাত্রা শেষের পর নায়ক-নায়িকাকে গান গাইতে বলে। ক্লান্ত ও অবসন্ন অবস্থায় শিল্পীরা তখন গান গাইতে অপারগ বলে জানাতেই তাঁদের হেনস্তা ও নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সোচ্চার হয় চিৎপুর যাত্রাপাড়া।
Advertisement
যাত্রা সন্মেলনের অন্যতম কর্তা রূপকুমার ঘোষ বলেন, ‘আমরা ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। দোষীদের চিহ্নিত করে কড়া আইনি পদক্ষেপের আবেদন জানাচ্ছি পুলিসের কাছে। এই ঘটনার পর আমরা ভীত ও সন্ত্রস্ত।’ বিষয়টি নিয়ে তাঁদের উদ্বেগের কথা সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। যাত্রাশিল্পীদের সংগঠন ‘সংগ্রামী যাত্রা প্রহরী’র অন্যতম কর্তা অনুভব দত্ত বলেন, ‘খেজুরির ঘটনা নিয়ে আমরা প্রত্যেকে উদ্বিগ্ন। অত্যন্ত নিন্দনীয় ঘটনা হয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট যাত্রাদল বা অপেরার মালিক তাপসকুমার দাস এদিন বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা খেজুরি থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। আশা করছি, পুলিস প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা পাব।’ প্রতিবাদে সরব হয়েছে কলকাতা যাত্রা কর্মী ইউনিয়নও। সংগঠনের কর্তারা দোষীদের গ্রেপ্তারি দাবি করে বলেছেন, ‘অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার না হলে আগামী দিনে হয়তো অন্য কোনও স্থানে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে।’ বিশিষ্ট যাত্রাশিল্পী রুমা দাশগুপ্ত বলেন, ‘যেভাবে আমাদের দু’জন শিল্পীকে যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা চিন্তিত।’ আরেক যাত্রাশিল্পী পূবালি বসু বলেন, ‘পালা শেষ হয়ে যাওয়ার পর শিল্পী আবার কেন মঞ্চে গান গাইতে যাবেন? এটা কী ধরনের অদ্ভুত দাবি! অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করুক পুলিস।’ পূর্ব মেদিনীপুর সহ অন্যান্য জেলার যাত্রাশিল্পীরাও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। রাজ্য যাত্রা অ্যাকাডেমির সভাপতি তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এদিন বলেন, ‘এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। পুলিসের সঙ্গে আমার এ ব্যাপারে কথা হয়েছে। আমি নিজেও যাত্রার একজন অনুরাগী। এই ঘটনায় আমি মর্মাহত।’
সংশ্লিষ্ট যাত্রাদল বা অপেরার মালিক তাপসকুমার দাস এদিন বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা খেজুরি থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। আশা করছি, পুলিস প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা পাব।’ প্রতিবাদে সরব হয়েছে কলকাতা যাত্রা কর্মী ইউনিয়নও। সংগঠনের কর্তারা দোষীদের গ্রেপ্তারি দাবি করে বলেছেন, ‘অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার না হলে আগামী দিনে হয়তো অন্য কোনও স্থানে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে।’ বিশিষ্ট যাত্রাশিল্পী রুমা দাশগুপ্ত বলেন, ‘যেভাবে আমাদের দু’জন শিল্পীকে যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা চিন্তিত।’ আরেক যাত্রাশিল্পী পূবালি বসু বলেন, ‘পালা শেষ হয়ে যাওয়ার পর শিল্পী আবার কেন মঞ্চে গান গাইতে যাবেন? এটা কী ধরনের অদ্ভুত দাবি! অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করুক পুলিস।’ পূর্ব মেদিনীপুর সহ অন্যান্য জেলার যাত্রাশিল্পীরাও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। রাজ্য যাত্রা অ্যাকাডেমির সভাপতি তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এদিন বলেন, ‘এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। পুলিসের সঙ্গে আমার এ ব্যাপারে কথা হয়েছে। আমি নিজেও যাত্রার একজন অনুরাগী। এই ঘটনায় আমি মর্মাহত।’



