Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খেজুর গুড় খাঁটি নাকি ভেজাল, ধন্দে রায়গঞ্জের ক্রেতারা

খেজুর গুড় খাঁটি নাকি ভেজাল, ধন্দে রায়গঞ্জের ক্রেতারা
  • ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: শীতে চাহিদা বেড়েছে খেজুরের গুড়ের। এই সুযোগে দেদার ভেজাল মেশানোর অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন জায়গায়। খাঁটি গুড় পাওয়ার আশাতেই দোকানের পর দোকান ঘুরে বেড়াচ্ছেন খদ্দেররা।  রায়গঞ্জের বাসিন্দা বিজয় পালের কথায়, বাজার ঘুরেও খাঁটি খেজুরের গুড় পাওয়া মুশকিল। আগে গন্ধে মন ভরে যেত, এখন আর সেসব নেই। শুনেছি গুড়ে চিনিও মেশানো হচ্ছে। পিঠে বানানোর জন্য গুড় কিনেছি বটে, তবে সেটা খাঁটি না ভেজাল বলা মুশকিল। কয়েকজন বিক্রেতা বেশি মুনাফা লাভের আশায় এই খেজুর গুড়ে ভেজাল মেশাচ্ছেন। তবে খাঁটি গুড়ও বাজারে মিলছে বলে জানান রায়গঞ্জ মোহনবাটি বাজারের বিক্রেতারা। সেখানে খাঁটি খেজুরের গুড় কিনতে কেজি প্রতি খরচ করতে হয় প্রায় তিনশো টাকা। ইটাহারের নন্দনগ্রাম এলাকায় তৈরি হয় নলেন গুড়। ক্রেতাদের হাতে পৌঁছে দিতে ভোর থেকে রস গাছ থেকে নামিয়ে তৈরি করা হচ্ছে গুড়। তবে চাহিদা অনুযায়ী গুড় বাজারে সরবরাহ করতে পারছেন না বলে জানালেন গুড় তৈরির কারিগর অসীম সরকার। তিনি বলেন, কার্তিক থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত চলে এই খেজুরের গুড় বানানোর কাজ। রায়গঞ্জ ও ইটাহারের বাজারে পাইকারি দরে বিক্রি হয়। তবে রয়েছে জীবনের ঝুঁকি। প্রায় পঞ্চাশ, ষাট ফুট উঁচু খেজুর গাছে চড়ে রস সংগ্রহ করতে হয়। কয়েকবার দুর্ঘটনার কবলেও পড়তে হয়েছে বলে জানান অসীম। গুড় তৈরির কারিগর অমৃত সরকার বলেন, গুড়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে সারাবছর বিক্রির জন্য কিছুটা ভালো করে শুকিয়ে রাখা হয়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ