সংবাদদাতা, কান্দি: খড়গ্রামের তৃণমূল নেতা মাধব মার্জিতকে খুনের ঘটনায় আটবছর পর পুলিস আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করল। ধৃতের নাম ফাইনাল খাঁ। বাড়ি শঙ্করপুর গ্রামে। বুধবার সকালে গ্রামের রাস্তা দিয়ে হেঁটে বাজার যাওয়ার পথে পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। এদিন ধৃতকে কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে তৃণমূল নেতা মাধব মার্জিত খড়গ্রাম বিধানসভায় তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়েন। কংগ্রেস প্রার্থী আশিস মার্জিতের কাছে হেরে যান। ওই বছরই ৬ জুলাই সন্ধ্যায় পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় দুষ্কৃতীরা বোমা ও গুলি নিয়ে হামলা চালায়। তৃণমূল নেতার বুকে গুলি লাগে। তাঁকে প্রথমে বহরমপুর এবং পরে কলকাতার এন আর এস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কলকাতায় ভর্তির ১০দিন পর ১৬ জুলাই তিনি মারা যান। ঘটনায় মৃতের স্ত্রী রেণুকা মার্জিত খড়গ্রাম থানায় ১০জনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ করেন। রেণুকার আবেদনের ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রী খুনের তদন্তের ভার সিআইডির হাতে তুলে দেন। কান্দি মহকুমা দায়রা আদালত সোমা মজুমদারের এজলাসে চলে মামলার বিচার প্রক্রিয়া। বিচারাধীন অবস্থায় অভিযুক্ত পল্টু মণ্ডল মারা যায়। ২০২২ সালের ৪ জুন বিচারক এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। তাতে মোট পাঁচজনকে দোষী সব্যস্ত করা হয়েছিল। মামলায় মোট ৪৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। রায়দানে হুমায়ুন কবীর ওরফে আজিবুল হক ও উমর মণ্ডলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত বাকি দু’জন ফাইনাল খাঁ ও জাবেদ হোসেন পলাতক ছিল। এদিন পুলিস ফাইনালকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিস জানিয়েছে, ধৃত ফাইনাল দু’টি খুনের মামলায় অভিযুক্ত রয়েছে। এছাড়াও আরও আটটি অপরাধমূলক মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আটবছর ধরে সে ফেরার ছিল। তাকে এদিন ধরা হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, ধৃত ফাইনাল দু’টি খুনের মামলায় অভিযুক্ত রয়েছে। এছাড়াও আরও আটটি অপরাধমূলক মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আটবছর ধরে সে ফেরার ছিল। তাকে এদিন ধরা হয়েছে।



