Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়গ্রামে দ্বারকা নদে প্রস্তাবিত সেতু এলাকা পরিদর্শন, আনন্দে বাসিন্দারা

খড়গ্রামে দ্বারকা নদে প্রস্তাবিত সেতু এলাকা পরিদর্শন, আনন্দে বাসিন্দারা
  • ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কান্দি: খড়গ্রাম ব্লক এলাকায় দ্বারকা নদের পোড়াডাঙা গ্রামের কাছে প্রস্তাবিত সেতু এলাকা পরিদর্শন করলেন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা। প্রায় দেড়দশক আগেই ওই সেতু সহ প্রায় ২০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কথা ছিল। যদিও অর্থ মঞ্জুরের পরেও কোনও কারণে সেই কাজ থেমে যায়। বুধবার বিকেলে ইঞ্জিনিয়ারদের এলাকা পরিদর্শনের পরই ফের আশায় বুক বাঁধছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৮-’০৯ অর্থবর্ষে খড়গ্রাম ব্লকের দ্বারকা নদীর পোড়াডাঙা গ্রামের কাছে সেতু সহ প্রায় ২০কিলোমিটার রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন জঙ্গিপুরের সাংসদ তথা প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের তৎপরতায় কেন্দ্রীয় সরকার ওই প্রকল্পের জন্য প্রায় ৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করে। এরপর ডিপিআর অনুযায়ী রাস্তা সহ সেতু তৈরির কাজ শুরু করে জেলা প্রশাসন। রাস্তাটি ফরাক্কা হলদিয়া বাদশাহি সড়কের খড়গ্রাম ব্লকের আলিনগর গ্রামের ২৬০ মিটার উত্তর থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। উঠত মোড়গ্রাম পানাগড় জাতীয় সড়কে। এর ফলে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদের মধ্যে নতুন একটি যোগাযোগ তৈরি হতো।
সেইমতো প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণও শুরু হয় এলাকার ১৪টি মৌজায়। এমনকী বীরভূমের খানসামা মৌজায় প্রস্তাবিত রাস্তার জন্য সম্পূর্ণ জমি অধিগ্রহণও করা হয়েছিল। যদিও ২০১১ সালে রাজ্যে সরকার বদল হতেই জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। তারপর প্রকল্পের কাজ থেমে যায়।
তারপর বিভিন্ন সময় প্রস্তাবিত ওই সেতু সহ রাস্তার দাবিতে সরব হয়েছেন বাসিন্দারা। সম্প্রতি মালদহে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় খড়গ্রামের বিধায়ক আশিস মার্জিত ফের একবার প্রকল্পের কথা তুলে বাস্তবায়নের আবেদন করেন। এরপর বুধবার বিকেলে ওই এলাকা পরিদর্শন করেন পূর্তদপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা।
ইঞ্জিনিয়াররা সেখানে পৌঁছে এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন। পূর্তদপ্তরের জেলা এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার মানসকুমার সাহা বলেন, এই প্রকল্পের ডিপিআর তৈরি রয়েছে। এদিন প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা শুকুরউদ্দিন আলি, ইব্রাহিম শেখ, আলম শেখ বলেন, প্রায় দেড়দশক পর ফের ইঞ্জিনিয়াররা পরিদর্শনে আসায় আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছি। এই রাস্তা ও সেতু তৈরি হলে কয়েকদশকের সমস্যা মিটবে। বিশেষ করে চাষিদের চরম উপকার হবে। রাস্তা ও সেতু তৈরি হলে চাষিদের কাছে নতুন নতুন বাজারে উৎপাদিত কৃষিজ পণ্য সহজে পৌঁছে দেওয়া যাবে। খড়গ্রামের বিধায়ক বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করার পরেই পূর্তদপ্তর কাজ শুরু করেছে। বাসিন্দাদের বহুবছরের দাবি দ্রুত মিটতে মিটতে চলেছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ