Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়্গপুরের স্কুলে শিক্ষকদের কলহে শিকেয় পড়াশোনা, বিডিওর হস্তক্ষেপে নিষ্পত্তি

খড়্গপুরের স্কুলে শিক্ষকদের কলহে শিকেয় পড়াশোনা, বিডিওর হস্তক্ষেপে নিষ্পত্তি
  • ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: দু’পক্ষের শিক্ষকদের বিবাদে অচলঅবস্থা তৈরি হয়েছিল খড়্গপুর গ্রামীণের চাঙ্গোয়াল কন্দর্পপুর প্রণবেশ বিদ্যায়তনে। যার ফলে কার্যত শিকেয় ওঠে পড়াশোনা। শুক্রবার খড়্গপুর-২ বিডিও’র হস্তক্ষেপে প্রশমিত হয় স্কুলের সমস্যা। যদিও এদিন স্কুলে পঠনপাঠন হয়নি। সকাল থেকে স্কুলে সুষ্ঠু পঠনপাঠনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবিতে পড়ুয়ারা অবস্থানে বসে। ফলে শিক্ষকরা স্কুলে ঢুকতে পারেননি। দুপুরে বিডিও সন্দীপ ঘোষ ও স্কুল পরিদর্শক সুচিষ্মিতা মণ্ডল স্কুলে গিয়ে বৈঠক করেন। এরপরই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। প্রধান শিক্ষক গৌরীশঙ্কর সেন বলেন, আজ, শনিবার থেকে যথারীতি স্কুল হবে। শুক্রবার অবশ্য মিড-ডে মিল চালু ছিল।
Advertisement
বিডিও বলেন, আমরা এদিন শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পড়ুয়া, অভিভাবক ও পরিচালন সমিতিকে নিয়ে বৈঠক করেছি। দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সবার কথা শোনা হয়েছে। শিক্ষকরা অঙ্গীকার করেছেন সামনের দিন থেকে তারা সমস্ত নিয়ম কানুন মেনে স্কুল পরিচালনা করবেন। আমাদের কাছে আর কোনও সমস্যা আসবে না। সূত্রের খবর, পড়ুয়ারা এদিন স্কুলে পঠনপাঠনের পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ তোলে। তারা অচলাবস্থা কাটিয়ে স্কুল সচল করার দাবি জানায়। 
প্রসঙ্গত, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এই স্কুলের দু’পক্ষের শিক্ষকদের মধ্যে কোনও একটি বিষয় নিয়ে বিরোধ বাধে। যা চরম আকার নেয়। দুই পক্ষের চেঁচামেচিতে এক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা করাতে হয়। পরে বিষয়টি থানা পর্যন্তও গড়ায়। অভিযোগ, এরপর থেকে তার জেরে শিক্ষকদের মধ্যে বিরোধ থেকেই যায়। যা পঠনপাঠনে প্রভাব ফেলে। পড়ুয়াদের অভিযোগ, শিক্ষকরা কলহতেই মেতে থাকেন। ফলে পঠনপাঠনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলের সামনে অবস্থানে বসে পড়ুয়ারা। যার জেরে এদিনও স্কুলে একই দৃশ্য দেখা যায়। 
স্থানীয় বিধায়ক তথা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি অজিত মাইতি বলেন, বৃহস্পতিবারই আমি মহকুমা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছিলাম। এদিন বিডিও’র সঙ্গে কথা বলি। দ্রুত শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করব।
সম্পর্কিত সংবাদ