সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুরে বহুদিন ধরে একাধিক সুলভ শৌচাগার জলের অভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। এর জেরে বস্তিবাসী সহ সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। পুরসভার উদ্যোগেই শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এসমস্ত শৌচাগার তৈরি হয়েছিল। কিন্তু জলের ব্যবস্থা না করায় সেগুলি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। অবশেষে নতুন বছরে ওই সমস্ত শৌচাগার চালু করতে উদ্যোগী হল পুরসভা। এর জন্য প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। রবিবার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ এসমস্ত শৌচাগার পরিদর্শন করেন। চেয়ারপার্সন বলেন, রেল ওয়ার্ড সহ কয়েকটি ওয়ার্ডে এরকম শৌচাগার তৈরি করা হয়েছিল। জল মজুত রাখার জন্য ছাদে জলাধারও বসানো হয়। কিন্তু জলের ব্যবস্থা করা হয়নি।
Advertisement
ইন্দা, সোনামুখি, চাঁদমারি, নিউ সেটেলমেন্ট সহ বিভিন্ন এলাকায় এরকম ১৮টি শৌচাগার চিহ্নিত করে তালিকা তৈরি হয়েছে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, এসমস্ত শৌচাগার তৈরি করতে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা করে খরচ হয়েছিল। বহুদিন বন্ধ থাকায় সেগুলি নষ্ট হতে বসেছে। চেয়ারপার্সন বলেন, মহকুমা হাসপাতালে এরকম দু’টি শৌচাগার আছে। টাউন থানার সামনের মাঠেও একটি আছে। আমরা ঠিক করেছি, প্রতিটি শৌচাগারে ছোট ডিপটিউবওয়েল বসিয়ে জলের ব্যবস্থা করা হবে। জল তুলে সরাসরি শৌচাগারের উপরে থাকা জলাধারে মজুত করা হবে। প্রতিটি ডিপ টিউবওয়েল বসাতে প্রায় তিন লক্ষ টাকা খরচ করা হবে। যদি শৌচাগারগুলি সংস্কারের প্রয়োজন থাকে, তবে সেই কাজও করা হবে। তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে বাসিন্দাদের জন্য ওই সমস্ত শৌচাগার খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালে যে দু’টি শৌচাগার আছে, আগে সেখানে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হবে। সেখানে পর্যাপ্ত শৌচাগার না থাকায় রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হেমা চৌবে বলেন, দু’টি শৌচাগার হাসপাতালকে হস্তান্তর করার জন্য আমরা পুরসভাকে চিঠি দিয়েছি। এত বড় হাসপাতালে শৌচাগারের অভাব আছে। এগুলি চালু হয়ে গেলে অনেকটাই উপকার হবে।
হাসপাতালে যে দু’টি শৌচাগার আছে, আগে সেখানে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হবে। সেখানে পর্যাপ্ত শৌচাগার না থাকায় রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হেমা চৌবে বলেন, দু’টি শৌচাগার হাসপাতালকে হস্তান্তর করার জন্য আমরা পুরসভাকে চিঠি দিয়েছি। এত বড় হাসপাতালে শৌচাগারের অভাব আছে। এগুলি চালু হয়ে গেলে অনেকটাই উপকার হবে।



