সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে এবার রেস্তরাঁ সহ বিভিন্ন দোকান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করবে খড়্গপুর পুরসভা। বাদ যাবে না রেল এলাকাও। দোকানের সামনে বা কাছাকাছি ভ্যাটে আর আবর্জনা ফেলা যাবে না। তার জন্য প্রতি দোকানে দুটি করে ডাস্টবিন দেওয়া হচ্ছে। একটায় পচনশীল, আর একটায় অপচনশীল আবর্জনা জমা করতে হবে। প্রতিদিন রাতে পুরসভার গাড়ি সেই আবর্জনা সংগ্রহ করে নিয়ে যাবে। বুধবার থেকে এই পরিষেবা চালু হয়ে গেল। এদিন পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ ইন্দা এলাকায় ডাস্টবিন বিলি করে পরিষেবার সূচনা করেন। তিনি বলেন, এদিন রাত থেকেই সাফাই পরিষেবা চালু হচ্ছে খড়্গপুর পুরএলাকায়।
Advertisement
চেয়ারপার্সন বলেন, এখন ৩৭১২টি দোকান, রেস্তরাঁ চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই সব দোকানে ডাস্টবিন বিলি করা হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সিআইসি সদস্য নমিতা চৌধুরী বলেন, এদিন ১০০ দোকানে ডাস্টবিন বিলি করা হয়েছে। প্রতিদিনই বিলি করা হবে। তিনি বলেন, আগামী দিনে রবিবারও আবর্জনা সাফাই করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বড় বড় ভ্যাট থেকে ছুটির দিন যাতে আবর্জনা পরিষ্কার করা যায় তার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দ্রুত তা শুরু হয়ে যাবে।
পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে দোকান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই কাজে নির্মলবন্ধুদের যুক্ত করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এর জন্য দোকানগুলি থেকে টাকা নেওয়া হবে। চেয়ারপার্সন বলেন, শহরের সমস্ত ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান থেকেই আবর্জনা সংগ্রহ করা হবে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পে টাকা নেওয়ার কথা বলা হলেও আমরা এখনই কোনও টাকা নিচ্ছি না। পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে এব্যাপারে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুরবোর্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে তাকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, প্রতি দোকান থেকে দৈনিক এক টাকা হিসেবে মাসে ত্রিশ টাকা নেওয়ার প্রস্তাব আছে।
প্রসঙ্গত আবর্জনা পরিষ্কার করা নিয়ে বার বার সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পুরসভাকে। ফলে শহরকে আবর্জনা মুক্ত রাখা যাচ্ছে না। যেখানে সেখানে আবর্জনা জমে আছে। মূলত আবর্জনা ফেলার জায়গা নিয়েই সমস্যা দেখা দিয়েছে। নানা রকম বাধা আসায় বার বার আবর্জনা ফেলার জায়গা বদল করতে হচ্ছে। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পও পুরোপুরি চালু করা যায়নি। আবার রেলের জমিতে পরিবেশ বান্ধব ঘর তৈরি করতে গিয়েও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। কোনও ভাবেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না পুর কর্তৃপক্ষ।
পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে দোকান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই কাজে নির্মলবন্ধুদের যুক্ত করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এর জন্য দোকানগুলি থেকে টাকা নেওয়া হবে। চেয়ারপার্সন বলেন, শহরের সমস্ত ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান থেকেই আবর্জনা সংগ্রহ করা হবে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পে টাকা নেওয়ার কথা বলা হলেও আমরা এখনই কোনও টাকা নিচ্ছি না। পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে এব্যাপারে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুরবোর্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে তাকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, প্রতি দোকান থেকে দৈনিক এক টাকা হিসেবে মাসে ত্রিশ টাকা নেওয়ার প্রস্তাব আছে।
প্রসঙ্গত আবর্জনা পরিষ্কার করা নিয়ে বার বার সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পুরসভাকে। ফলে শহরকে আবর্জনা মুক্ত রাখা যাচ্ছে না। যেখানে সেখানে আবর্জনা জমে আছে। মূলত আবর্জনা ফেলার জায়গা নিয়েই সমস্যা দেখা দিয়েছে। নানা রকম বাধা আসায় বার বার আবর্জনা ফেলার জায়গা বদল করতে হচ্ছে। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পও পুরোপুরি চালু করা যায়নি। আবার রেলের জমিতে পরিবেশ বান্ধব ঘর তৈরি করতে গিয়েও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। কোনও ভাবেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না পুর কর্তৃপক্ষ।



