Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে শৌচালয় না থাকায় সমস্যায় রোগী ও পরিজনরা

খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে শৌচালয় না থাকায় সমস্যায় রোগী ও পরিজনরা
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: শৌচালয় না থাকায় খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে আসা রোগী ও পরিজনদের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও পরিজনদের ক্ষোভ বাড়ছে। তাঁরা বলেন, আউটডোরে টিকিট কাটা, ডাক্তার দেখানো এরপর ওষুধ নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। কোনও শৌচালয় না থাকায় প্রচণ্ড সমস্যায় পড়তে হয়। সবচেয়ে বেশি সমস্যা মহিলাদের। 
Advertisement
রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হেমা চৌবে বলেন, পুরসভার পক্ষ থেকে এক সময় দু’টি সুলভ শৌচালয় করে দেওয়া হয়েছিল। সেগুলি ব্যবহার না হওয়ায় নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আরও একটি শৌচালয় ছিল স্থানীয় কাউন্সিলারের উদ্যোগে সেখানে  সংস্কারের কাজ হচ্ছে।  ফলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় রোগী ও পরিজনেরা দুর্ভোগে পড়ছেন। পুরসভার যে শৌচালয় দু’টি আছে সেগুলি আমাদের হস্তান্তর করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেগুলি পেলে আমরা চালু করে দেব। তাতে সমস্যা অনেকটা মিটবে। 
পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, হাসপাতালে এটা খুব বড় সমস্যা। হাসপাতালের শৌচালয় না থাকায় অনেকে পুরসভার কর্মীদের ব্যবহারের জন্য যে শৌচালয় আছে সেখানে ভিড় করছেন। আবার হাসপাতাল চত্বর নোংরাও হচ্ছে। দূষণ ছড়াচ্ছে। পুরসভার যে দু’টি শৌচালয় আছে আমরা তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে দেব। তাদের উদ্যোগ নিয়ে সেগুলি চালু করা উচিত। এতে সমস্যা কিছুটা হলেও মিটবে। 
হাসপাতাল সূত্রে খবর, শহর ছাড়াও গ্রামীণ এলাকা সহ বেশ কয়েকটি ব্লক থেকে রোগী ও পরিজনেরা এই হাসপাতালে আসে। প্রতিদিন আউটডোরে গড়ে ছয় থেকে সাতশো রোগীর ভিড় হয়। সঙ্গে থাকেন পরিজনরাও। তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। স্বাভাবিক ভাবেই শৌচালয়ের খুবই প্রয়োজন। 
এক রোগী কল্যাণ বসু বলেন, এতবড় একটা মহকুমা হাসপাতাল সেখানে আমাদের জন্য কোনও শৌচালয় নেই। এটা ভাবা যায়। অন্য এক রোগীর পরিজন শ্যামল দাস বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, পুরসভা, প্রশাসনের বিষয়টা নিয়ে ভাবা উচিত। আমি দীর্ঘদিন ধরে এই হাসপাতালে আসছি। সমস্যা আজকের নয়। একটা যদিও বা ছিল সেখানে এখন সংস্কার হচ্ছে। আর পুলিসফাঁড়ির কাছে এবং মর্গের কাছে দু’টি শৌচালয় আছে। সেগুলি বন্ধই থাকে। আর এক বাসিন্দা বলেন, এই দু’টি এমন জায়গায় তৈরি হয়েছে রোগী বা পরিজনদের পক্ষে জানা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। ফলে দুর্ভোগকে সঙ্গী করেই আমাদের এখানে চিকিৎসা করাতে আসতে হয়।
সম্পর্কিত সংবাদ