Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে প্রসূতি বিভাগে আসন বৃদ্ধি, অন্যত্র সরল শিশু বিভাগ

খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে প্রসূতি বিভাগে আসন বৃদ্ধি, অন্যত্র সরল শিশু বিভাগ
  • ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা,মেদিনীপুর: খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে প্রসূতি ওয়ার্ডে রোগীর চাপ কমাতে লাগোয়া শিশু ওয়ার্ডকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল। পুরানো আইসিসিইউ ওয়ার্ডকে শিশু ওয়ার্ড করা হল। বৃহস্পতিবার রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হেমা চৌবে ও সুপার ধীমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এই নতুন শিশু ওয়ার্ড চালু করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর নতুন ওই ওয়ার্ডে ২১টি শয্যা পাতা হয়েছে। এদিন প্রসূতি ওয়ার্ড লাগোয়া শিশু ওয়ার্ড থেকে শিশুদের নতুন ওয়ার্ডে আনা হয়। সোমবার থেকে প্রসূতি ওয়ার্ডকে খালি হওয়া লাগোয়া শিশু ওয়ার্ডে বর্ধিত করা হবে। 
Advertisement
রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান বলেন, প্রসূতি ওয়ার্ডে ৫০টি শয্যা আছে। কিন্তু বেশিরভাগ দিন শয্যার চেয়ে প্রসূতির সংখ্যা বেশি থাকে। এদিন লাগোয় শিশু ওয়ার্ডকে নতুন শিশু ওয়ার্ডে সরিয়ে আনায় প্রসূতি ওয়ার্ডের শয্যা সংখ্যা আরও ৩৬টি বাড়বে। ফলে প্রসূতি ওয়ার্ডে আর কোনও সমস্যা থাকবে না। হাসপাতাল সূত্রে খবর প্রসূতি ওয়ার্ডে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ষাট থেকে সত্তর জন ভর্তি থাকে। শয্যা সংখ্যা কম থাকায় এতদিন একই শয্যায় একাধিক প্রসূতিকে রাখা হচ্ছিল। চেয়ারম্যান  বলেন, ২১ শয্যার নতুন শিশু ওয়ার্ডে এদিন দশ জন শিশুকে স্থানান্তরিত করা হয়। সম্প্রতি ডিরেক্টর অব হেলথ সার্ভিস (হাসপাতাল প্রশাসন) দীপঙ্কর মাজী এই হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। সেই সময় তিনি মেডিসিন ও সার্জিক্যাল ওয়ার্ডকে ১০০ শয্যার নতুন ভবনে স্থানন্তরিত করার নির্দেশ দিয়ে যান। একই সঙ্গে প্রসূতি ওয়ার্ড লাগোয়া শিশু ওয়ার্ডকে পুরানো আইসিসিইউ ওয়ার্ডে সরিয়ে প্রসূতি ওয়ার্ডের শয্যা বৃদ্ধির নির্দেশও দেন। জানা গিয়েছে নতুন ভবনে মেডিসিন ও সার্জিক্যাল ওয়ার্ড সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজও দ্রুত শুরু হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত খড়্গপুর শহর, গ্রামীণ ছাড়াও সবং, ডেবরা, পিংলা, কেশিয়াড়ি, নারায়ণগড়, দাঁতন, মোহনপুর ব্লকের বাসিন্দারা এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। একশ শয্যার নতুন ভবন ছাড়াও ডায়ালেসিস সেন্টার খোলা হয়েছে। নতুন ভবনে কিছু আউটডোর চালু হওয়ায় রোগীরা উপকৃত হচ্ছেন। সিএমওএইচ সৌম্যশঙ্কর সড়ঙ্গি বলেন, খুব শীঘ্রই সিটি স্ক্যান সেন্টারও খোলা হয়ে যাবে। ফলে ডায়ালিসিস ও সিটি স্ক্যানের জন্য রোগীদের আর মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করতে হবে না। এখানেই তারা উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পাবে।
সম্পর্কিত সংবাদ