সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে মহিলা বার্ন ইউনিট চালু হল। মঙ্গলবার পূর্তদপ্তর কাজ শেষ করে হাসপাতালের হাতে ইউনিটটি তুলে দিয়েছে। এদিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিটটি চালু হল। ছিলেন ডেপুটি সিএমওএইচ-২ জয়দেব বর্মণ, রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হেমা চৌবে, সুপার ধীমান বন্দ্যোপাধ্যায়। চেয়ারম্যান বলেন, এতদিন সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে রেখে আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা করা হতো। আশঙ্কাজনক হলে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করতে হতো। এই ইউনিটটি চালু হওয়ায় আর রেফার করতে হবে না। তিনি বলেন, আগের সুপার অফিস নতুন ভবনে চলে গিয়েছে। পুরনো সুপার অফিসের খালি ঘরে এই ইউনিট চালু করা হল।
Advertisement
সিএমওএইচ সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গী বলেন, ছ’টি বেডের বার্ন ইউনিট চালু হল। এখন মহিলা বার্ন ইউনিটই অনুমোদন করা হয়েছে। রোগী এলেই নতুন ওয়ার্ডে চিকিৎসা চালু করতে পারব। পরে এই ঘরেই দু’ভাগ করে মেল বার্ন ইউনিট খোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, খড়্গপুর শহর, গ্রামীণ, সবং, পিংলা, ডেবরা, দাঁতন, নারায়ণগড়, মোহনপুর, কেশিয়াড়ি ব্লকের বাসিন্দারা এই হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল। এতদিন ডায়ালিসিস করতে রোগীদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হতো। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ডায়ালিসিস সেন্টার চালু হয়েছে। তিনি সিটি স্ক্যান সেন্টারেরও উদ্বোধন করেছেন। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্রুত সিটি স্ক্যান সেন্টারও চালু হয়ে যাবে। এর ফলে রোগীরা উপকৃত হবেন। এক আধিকারিক বলেন, কাছাকাছি জাতীয় সড়ক থাকায় দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। কিন্তু সিটিস্ক্যান করার প্রয়োজন হলে মেদিনীপুর রেফার করে দিতে হয়। এখানে সিটিস্ক্যানের খুবই প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, খড়্গপুর শহর, গ্রামীণ, সবং, পিংলা, ডেবরা, দাঁতন, নারায়ণগড়, মোহনপুর, কেশিয়াড়ি ব্লকের বাসিন্দারা এই হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল। এতদিন ডায়ালিসিস করতে রোগীদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হতো। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ডায়ালিসিস সেন্টার চালু হয়েছে। তিনি সিটি স্ক্যান সেন্টারেরও উদ্বোধন করেছেন। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্রুত সিটি স্ক্যান সেন্টারও চালু হয়ে যাবে। এর ফলে রোগীরা উপকৃত হবেন। এক আধিকারিক বলেন, কাছাকাছি জাতীয় সড়ক থাকায় দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। কিন্তু সিটিস্ক্যান করার প্রয়োজন হলে মেদিনীপুর রেফার করে দিতে হয়। এখানে সিটিস্ক্যানের খুবই প্রয়োজন।



