সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর শহরের নিমপুরা শিল্পাঞ্চলের বেসরকারি কারখানার কর্মীরা রবিবারও কাজে যোগ দিলেন না। এদিনও কাজ বন্ধ রেখে কর্মীরা সকাল থেকে কারখানা গেটের সামনে ধর্নায় শামিল হন। ফলে শনিবারের মতো এদিনও কাখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকে। কারখানার প্ল্যান্ট হেড মলয় রায় বলেন, দু’দিন ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, আজ সোমবার আমরা খড়্গপুরে উপ শ্রম আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করব। শ্রমদপ্তর আগামী মঙ্গলবার বৈঠক ডেকেছে। সেদিন পর্যন্ত কর্মচারীদের অপেক্ষা করা উচিত ছিল। কিন্তু তার আগেই তাঁরা আন্দোলন শুরু করে দিল। আমরা কারখানা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছি। ফলে আরও প্রায় ১০০জনের কর্মসংস্থান হবে। কিন্তু আন্দোলনের জেরে এখন সেই উদ্যোগ থেকে পিছিয়ে আসতে হচ্ছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত বেশকিছু দাবিতে শনিবার থেকে কারখানার কর্মীরা আন্দোলনে নামেন। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম মেনে মজুরি দেওয়া হয় না। স্বাস্থ্য পরিষেবার কোনও ব্যবস্থা নেই। কোনও কিছুর প্রতিবাদ করলে কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়া হয়। এরই প্রতিবাদে স্থায়ী, অস্থায়ী ও ঠিকা কর্মীরা এই আন্দোলনে শামিল হয়েছেন। প্রায় ৫০০জন কর্মী কাজ বন্ধ করে ধর্না আন্দোলন শুরু করেছেন। আন্দোলনকারীদের পক্ষে বিপদভঞ্জন শাসমল বলেন, এদিনও আমরা কাজে যোগ দিইনি। যতক্ষণ না কর্তৃপক্ষ আমাদের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিচ্ছে ততক্ষণ আন্দোলন চলবে। সমস্ত সংগঠনই এই আন্দোলনে শামিল হয়েছে।
আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি গোপাল খাটুয়া বলেন, কর্মীদের দাবি ও এই আন্দোলনের প্রতি আমাদের সমর্থন আছে। তাঁর মতে, কর্মীদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তাই তাঁরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেন, কর্মীরা কাজে না গেলে আমাদেরতো কিছু করার নেই। কর্মীদের দাবি ও আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে এআইটিইউসি’ও। সংগঠনের নেতা বিপ্লব ভট্ট বলেন, কর্মীরা তাদের নায্য দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাতে আমাদের সমর্থন আছে।
আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি গোপাল খাটুয়া বলেন, কর্মীদের দাবি ও এই আন্দোলনের প্রতি আমাদের সমর্থন আছে। তাঁর মতে, কর্মীদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তাই তাঁরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেন, কর্মীরা কাজে না গেলে আমাদেরতো কিছু করার নেই। কর্মীদের দাবি ও আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে এআইটিইউসি’ও। সংগঠনের নেতা বিপ্লব ভট্ট বলেন, কর্মীরা তাদের নায্য দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাতে আমাদের সমর্থন আছে।



