সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপারের বিরুদ্ধে ওঠা গরহাজিরার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রিপোর্ট চাইল জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। তিনি দীর্ঘদিন অফিসে আসছেন না বলে অভিযোগ। এবার এই অভিযোগ নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। যদিও সুপার ধীমান বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ভুয়ো তথ্য দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
Advertisement
সিএমওএইচ সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গি অবশ্য বলেন, এরকম কোনও লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে একটা মহল থেকে এরকম অভিযোগ কানে এসেছে। স্বাভাবিক ভাবেই তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিষয়টি স্বাস্থ্য ভবনেও জানানো হয়েছে। ডেপুটি সিএমওএইচ-৩’কে তদন্ত করে সাতদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত ডেপুটি সিএমওএইচ-৩ বর্তমানে খড়্গপুরের এসিএমওএইচ-এর দায়িত্বেও আছেন। সিএমওএইচ বলেন, সুপারের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে অবিলম্বে কাজে যোগ দিতেও বলা হয়েছে।
সুপার বলেন, আমি যা করি তা সরকারি নিয়ম মেনেই করি। সরকারি ছুটির দিনগুলিতে অফিসতো বন্ধ থাকবেই। আমি তো খুলে রাখতে পারি না।
শুধু পুজোর সময়ই নয়, আমি যখন স্টেশন লিভ করি বা করেছি অন্য চিকিৎসককে দায়িত্ব দিয়েই করেছি। এই সময়ের ভেতর একাধিক সরকারি মিটিংয়ে যোগ দিয়েছি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, আমি যদি দীর্ঘ দিন অনুপস্থিত থাকি তাহলে কর্মচারীরা বেতন পেলেন কী করে? সুপার বলেন, আমি সমস্ত তথ্য সিএমওএইচ’কে পাঠিয়েছি।
সুপার বলেন, আমি যা করি তা সরকারি নিয়ম মেনেই করি। সরকারি ছুটির দিনগুলিতে অফিসতো বন্ধ থাকবেই। আমি তো খুলে রাখতে পারি না।
শুধু পুজোর সময়ই নয়, আমি যখন স্টেশন লিভ করি বা করেছি অন্য চিকিৎসককে দায়িত্ব দিয়েই করেছি। এই সময়ের ভেতর একাধিক সরকারি মিটিংয়ে যোগ দিয়েছি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, আমি যদি দীর্ঘ দিন অনুপস্থিত থাকি তাহলে কর্মচারীরা বেতন পেলেন কী করে? সুপার বলেন, আমি সমস্ত তথ্য সিএমওএইচ’কে পাঠিয়েছি।



