সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালের নতুন ভবনে হবে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব। এর নাম দেওয়া হবে মাতৃমা। এরকমই পরিকল্পনা নিয়েছে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। বুধবার তার প্রস্তুতি শুরু হল। সিএমওএইচ সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গী এব্যাপারে এদিন হাসপাতাল সুপার ধীমান বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। বৈঠকে জেলা থেকেও ইঞ্জিনিয়াররা এসেছিলেন। প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই একশো শয্যার নতুন ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন। কেবলমাত্র একতলায় আউটডোর চালু হয়েছে। করা হয়েছে সুপারের অফিসও। বাকি অংশে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব হওয়ার কথা। এই হাব হয়ে গেলে খড়্গপুর শহর, গ্রামীণ, সবং, পিংলা, ডেবরা, কেশিয়াড়ি, নারায়ণগড়, দাঁতন, মোহনপুরের বাসিন্দারা উপকৃত হবেন। তাদের আর মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বা অন্য কোথাও ছুটতে হবে না। এখানেই মা ও শিশুর চিকিৎসা হবে।
Advertisement
সিএমওএইচ বলেন, চারতলা এই ভবনে টয়লেট কমপ্লেক্স করা হয়নি। তৈরি করতে হবে লেবার রুম এবং ওটি কমপ্লেক্সও। এব্যাপারে মুলত এদিন আলোচনা হয়। ইঞ্জিনিয়াররাও ছিলেন। আনুমানিক কত টাকা খরচ হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে। ওটি কমপ্লেক্সে তিনটি উন্নতমানের অপারেশন থিয়েটার হবে। এই ভবন তৈরি করার জন্য এই দু’টি করা হয়ে গেলে আমরা মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব চালু করে দিতে পারব। মূল হাসপাতাল থেকে প্রসূতি ও শিশু ওয়ার্ডকে এই ভবনে নিয়ে আসা হবে।
সিএমওএইচ বলেন, এছাড়াও এসি না থাকায় বার্ন ইউনিট চালু করা যাচ্ছে না। আইসিসিইউতেও এসি’র সংস্কার প্রয়োজন। এব্যাপারেও এদিন আলোচনা হয়েছে। এসির ব্যবস্থা করে যাতে বার্ন ইউনিট চালু করে দেওয়া যায়, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই ভবনের মধ্যে যাতায়াতের জন্য একটি মাথায় ছাদ দেওয়া রাস্তাও করা হবে। সব বিষয়গুলি নিয়ে এদিন আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রকল্প তৈরি করতে বলা হয়েছে।
সিএমওএইচ বলেন, এছাড়াও এসি না থাকায় বার্ন ইউনিট চালু করা যাচ্ছে না। আইসিসিইউতেও এসি’র সংস্কার প্রয়োজন। এব্যাপারেও এদিন আলোচনা হয়েছে। এসির ব্যবস্থা করে যাতে বার্ন ইউনিট চালু করে দেওয়া যায়, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই ভবনের মধ্যে যাতায়াতের জন্য একটি মাথায় ছাদ দেওয়া রাস্তাও করা হবে। সব বিষয়গুলি নিয়ে এদিন আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রকল্প তৈরি করতে বলা হয়েছে।



