সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকায় নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা উদ্বোধন করেছে। সেখানে প্রশাসনিক ভবন ও আউটডোর চলছে। কথা ছিল, সেখানে কোল্ড ওয়ার্ড তৈরি করে রোগী ভর্তি নেওয়া হবে। কিন্তু টয়লেট ব্লক না থাকায় রোগী ভর্তি নেওয়া যাচ্ছে না। এবার খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালের সেই ভবনকে যুক্ত করে পাশেই নতুন মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব তৈরির প্রস্তাব দিল জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। এজন্য ১০ কোটির এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
এখন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব আছে। খড়্গপুরে এই হাব চালু হলে এখানকার শহর ও গ্রামীণ এলাকার পাশাপাশি নারায়ণগড়, কেশিয়াড়ি, দাঁতন, মোহনপুর, ডেবরা, পিংলা, সবং ব্লকের মায়েদের চিকিৎসায় সুবিধা হবে। মেদিনীপুর মেডিক্যালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবে চাপ কমবে।
সিএমওএইচ সৌম্যশঙ্কর সড়ঙ্গি বলেন, নতুন ভবনে টয়লেট ব্লক না থাকায় রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসা করা যাচ্ছে না। টয়লেট ব্লক তৈরির জন্য আমরা পরিকল্পনা পাঠিয়েছি। প্রথমে আমরা ঠিক করেছিলাম, নতুন ভবনের চারতলায় মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব করা হবে। কিন্তু ১৬ অর্থ কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ওই হাবের জন্য নতুন ভবন গড়তে হবে। তাই আমরা নতুন করে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব তৈরির প্রস্তাব পাঠিয়েছি। নতুন ভবন গড়ে তার সঙ্গে এই ভবনকে যুক্ত করে হাব তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রায় ১০ কোটি টাকার এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে।
বর্তমানে হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা কম থাকায় প্রসূতিদের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। একই শয্যায় একাধিক প্রসূতিকে রাখতে হচ্ছে। সূত্রের খবর, সিজার হওয়ার চারদিন পেরিয়ে গেলে প্রসূতিদের এভাবে থাকতে হচ্ছে। তাতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রসূতি বিভাগে প্রায় ৫০টি শয্যা আছে। কিন্তু প্রতিদিন গড়ে ৬০-৭০জন প্রসূতি ভর্তি থাকেন। কখনও কখনও সেই সংখ্যা আরও বাড়ে। নতুন মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব হলে এসমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।
রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারপার্সন হেমা চৌবে বলেন, শয্যার চেয়ে প্রসূতির সংখ্যা বেশি হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এক প্রসূতির আত্মীয় সৌরিন সেন বলেন, একটি শয্যায় একজন করে প্রসূতি থাকার ব্যবস্থা করা দরকার। নয়তো খুবই অসুবিধা হয়। অপর এক প্রসূতির আত্মীয় বেলা দাস বলেন, মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব হলে আর এরকম সমস্যা থাকবে না। এবিষয়ে তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ জরুরি।
সিএমওএইচ সৌম্যশঙ্কর সড়ঙ্গি বলেন, নতুন ভবনে টয়লেট ব্লক না থাকায় রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসা করা যাচ্ছে না। টয়লেট ব্লক তৈরির জন্য আমরা পরিকল্পনা পাঠিয়েছি। প্রথমে আমরা ঠিক করেছিলাম, নতুন ভবনের চারতলায় মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব করা হবে। কিন্তু ১৬ অর্থ কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ওই হাবের জন্য নতুন ভবন গড়তে হবে। তাই আমরা নতুন করে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব তৈরির প্রস্তাব পাঠিয়েছি। নতুন ভবন গড়ে তার সঙ্গে এই ভবনকে যুক্ত করে হাব তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রায় ১০ কোটি টাকার এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে।
বর্তমানে হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা কম থাকায় প্রসূতিদের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। একই শয্যায় একাধিক প্রসূতিকে রাখতে হচ্ছে। সূত্রের খবর, সিজার হওয়ার চারদিন পেরিয়ে গেলে প্রসূতিদের এভাবে থাকতে হচ্ছে। তাতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রসূতি বিভাগে প্রায় ৫০টি শয্যা আছে। কিন্তু প্রতিদিন গড়ে ৬০-৭০জন প্রসূতি ভর্তি থাকেন। কখনও কখনও সেই সংখ্যা আরও বাড়ে। নতুন মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব হলে এসমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।
রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারপার্সন হেমা চৌবে বলেন, শয্যার চেয়ে প্রসূতির সংখ্যা বেশি হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এক প্রসূতির আত্মীয় সৌরিন সেন বলেন, একটি শয্যায় একজন করে প্রসূতি থাকার ব্যবস্থা করা দরকার। নয়তো খুবই অসুবিধা হয়। অপর এক প্রসূতির আত্মীয় বেলা দাস বলেন, মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব হলে আর এরকম সমস্যা থাকবে না। এবিষয়ে তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ জরুরি।



