সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার গাফিলতির জেরে মাতৃগর্ভে সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। বুধবার বিকেলে প্রসূতির স্বামী সুদীপ দাস হাসপাতাল সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। তাঁর অভিযোগ, সঠিক সময়ে প্রসব না করানোয় মাতৃগর্ভেই সন্তানের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সিজার করে মৃত সন্তান প্রসব করানো হয়। রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হেমা চৌবে বলেন, একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
Advertisement
খড়্গপুরের তালবাগিচার বাসিন্দা সুদীপ দাস বলেন, ৬ নভেম্বর আমার স্ত্রী নিরাশা দাসকে খড়্গপুর হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম। দু’দিন পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ফের ১৩ নভেম্বর চেকআপে নিয়ে আসি। সেদিনও দেখে ছেড়ে দেওয়া হয়। গত সোমবার ফের হাসপাতালে নিয়ে এলে ইউএসজি করে বলা হয়, সন্তান মারা গিয়েছে। কিন্তু, দু’দিন আগে ইউএসজি করে বলা হয়েছিল, সব ঠিক আছে। ওইদিনই স্ত্রীকে মেদিনীপুর মেডিক্যালে নিয়ে যাই। মঙ্গলবার সেখানে সিজার হয়। স্ত্রী মৃত সন্তান প্রসব করে। ওখান থেকে বলা হয়েছে, প্রসবের দিন আগেই পার হয়ে গিয়েছে।
সুদীপবাবুর আরও অভিযোগ, আমরা বারবার মেদিনীপুর মেডিক্যালে স্থানান্তরিত করতে বললেও পাঠানো হয়নি। পরে নিজ দায়িত্বে স্ত্রীকে মেদিনীপুর মেডিক্যালে নিয়ে যাই। যদি সঠিক সময়ে প্রসব করানো হতো, তাহলে আমাদের প্রথম সন্তানকে এভাবে হারাতাম না। এই ঘটনার তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
সুদীপবাবুর আরও অভিযোগ, আমরা বারবার মেদিনীপুর মেডিক্যালে স্থানান্তরিত করতে বললেও পাঠানো হয়নি। পরে নিজ দায়িত্বে স্ত্রীকে মেদিনীপুর মেডিক্যালে নিয়ে যাই। যদি সঠিক সময়ে প্রসব করানো হতো, তাহলে আমাদের প্রথম সন্তানকে এভাবে হারাতাম না। এই ঘটনার তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।



