সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: টাকা আছে, কিন্তু প্রায় দু’বছর ধরে কাজ বন্ধ। খড়্গপুর পুরসভার অডিটোরিয়ামের। কবে কাজ শেষ হবে, করে তা খুলে দেওয়া হবে নাগরিকদের জন্য, তা নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছে না পুরসভা।
Advertisement
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খড়্গপুর শহরে একাধিক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তার মধ্যে ছিল এই অডিটোরিয়াম। তাঁর ঘোষণার পরই রাজ্য সভার দুই সদস্য আড়াই কোটি করে পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দও করেন। ২০১৯ সালে প্রকল্প অুনমোদন হয়। নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয় পূর্তদপ্তরকে। সেই সময়ে পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ সরকার খড়্গপুর আইআইটিকে দিয়ে পরিকল্পনাও করান। কিন্তু বাজেট অনেক বেশি হয়ে যায়। এদিকে পূর্তদপ্তর দায়িত্ব পেয়েও কাজ শুরু করতে দেরি করায় চার বছর আগে অডিটোরিয়াম তৈরির কাজ পুরসভাকে দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসন পাঁচ কোটি টাকা পুরসভার হাতে তুলে দেয়। ঠিক হয় পুরসভাই অডিটোরিয়াম নির্মাণ করবে।
কিন্তু, ৬০০ আসনের বাতানুকুল অডিটোরিয়াম নির্মাণ পাঁচ কোটি টাকায় হওয়া সম্ভব নয়। ঠিক হয়, বাকি টাকার সংস্থান করবে পুরসভা। প্রদীপ সরকার চেয়ারম্যান থাকাকালীন পুরনো টাউনহল ভেঙে সেখানে অডিটোরিয়াম তৈরির সূচনা হয়। কিছুটা কাজ এগিয়েও যায়। পরবর্তীকালে চেয়ারম্যান বদল হয়। অভিযোগ, তারপর আর এক চুলও কাজ এগয়নি। মাঝেমধ্যে কাজ হলেও তা খুবই ঢিমেতালে হচ্ছে।
পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে। যে সংস্থা কাজের বরাত পেয়েছে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। চেয়ারপার্সন বলেন, আমাদের হাতে এখনও কিছু টাকা আছে। তবে সেই টাকায় অডিটোরিয়ামের কাজ শেষ হওয়া সম্ভব নয়। আরও টাকার প্রয়োজন। বিভিন্ন ভাবে টাকা সংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাজ্য সরকারের কাছেও টাকা চেয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে। আর কী ভাবে টাকা পাওয়া যায় তা দেখা হচ্ছে।
কিন্তু, ৬০০ আসনের বাতানুকুল অডিটোরিয়াম নির্মাণ পাঁচ কোটি টাকায় হওয়া সম্ভব নয়। ঠিক হয়, বাকি টাকার সংস্থান করবে পুরসভা। প্রদীপ সরকার চেয়ারম্যান থাকাকালীন পুরনো টাউনহল ভেঙে সেখানে অডিটোরিয়াম তৈরির সূচনা হয়। কিছুটা কাজ এগিয়েও যায়। পরবর্তীকালে চেয়ারম্যান বদল হয়। অভিযোগ, তারপর আর এক চুলও কাজ এগয়নি। মাঝেমধ্যে কাজ হলেও তা খুবই ঢিমেতালে হচ্ছে।
পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে। যে সংস্থা কাজের বরাত পেয়েছে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। চেয়ারপার্সন বলেন, আমাদের হাতে এখনও কিছু টাকা আছে। তবে সেই টাকায় অডিটোরিয়ামের কাজ শেষ হওয়া সম্ভব নয়। আরও টাকার প্রয়োজন। বিভিন্ন ভাবে টাকা সংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাজ্য সরকারের কাছেও টাকা চেয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে। আর কী ভাবে টাকা পাওয়া যায় তা দেখা হচ্ছে।



