সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে এফআইআর করে জানুয়ারি মাসে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা জরিমান আদায় করল খড়্গপুর বিদ্যুৎ বিভাগ। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মাসে ১০৪টি এফআইআর করা হয়েছে। এর মধ্যে খড়্গপুর শহরেই করা হয়েছে ১৮টি। বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাজুড়ে অভিযান শুরু করেছে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। প্রতিদিনই বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে এফআইআর করা হচ্ছে। আদায় হচ্ছে জরিমানাও। সংস্থার রিজিওন্যাল ম্যানেজার(আরএম) প্রদীপ সামন্ত বলেন, বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে এফআইআরের পাশাপাশি বকেয়া আদায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। তাতে ভালো সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে।
Advertisement
এক আধিকারিক বলেন, বিদ্যুতের খুঁটি থেকে হুকিং করে যেমন বিদ্যুৎ চুরি করা হচ্ছে। তেমনই আবার বাড়ির মিটার বাইপাস করেও বিদ্যুৎ চুরি করা হচ্ছে। খুঁটি থেকে বিদ্যুৎ চুরি খালি চোখে দেখা যায়। কিন্তু মিটার থেকে বাইপাস করে বিদ্যুৎ চুরি দেখা যায় না। আমাদের কর্মীরা বাড়ির মিটার পরীক্ষা করতে গেলে এই চুরি ধরা পড়ে। এক একটি গ্রামে বাঁশের খুঁটি পুঁতে তার টেনে নিয়ে গিয়ে বাড়ির পর বাড়ি হুকিং করে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছে। ওই আধিকারিক বলেন, বিদ্যুৎ চুরি শুধু গ্রামে হচ্ছে না। শহরাঞ্চলেও নানা ভাবে বিদ্যুৎ চুরি হচ্ছে। হুকিং ধরতে গিয়ে নানা সমস্যার মুখেও পড়তে হচ্ছে কর্মীদের। বিদ্যুৎ চুরির ফলে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
খড়্গপুর বিদ্যুৎ বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, গত জানুয়ারি মাসে যে ১০৪টি এফআইআর হয়েছে তাতে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা জারিমানা ধার্য করা হয়। তার মধ্যে আদায় হয়েছে ৯০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় ওই মাসে তিন হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। খড়্গপুর ১ ও ২, সবং, ডেবরা, পিংলা ব্লকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। যাদের এক বছরে দশ হাজার টাকা ও তার বেশি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া আছে কেবল তাদেরই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আরও প্রায় তিন হাজার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছে। ওই আধিকারিক বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর তাদের বকেয়া আদায়ের জন্য বিশেষ শিবির করা হচ্ছে। সেখানে এসে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা যাচ্ছে। জানুয়ারি মাসে এরকম ১২টি শিবির করা হয়। ওই মাসে প্রায় ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা বকেয়া আদায় হয়েছে।
খড়্গপুর বিদ্যুৎ বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, গত জানুয়ারি মাসে যে ১০৪টি এফআইআর হয়েছে তাতে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা জারিমানা ধার্য করা হয়। তার মধ্যে আদায় হয়েছে ৯০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় ওই মাসে তিন হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। খড়্গপুর ১ ও ২, সবং, ডেবরা, পিংলা ব্লকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। যাদের এক বছরে দশ হাজার টাকা ও তার বেশি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া আছে কেবল তাদেরই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আরও প্রায় তিন হাজার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছে। ওই আধিকারিক বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর তাদের বকেয়া আদায়ের জন্য বিশেষ শিবির করা হচ্ছে। সেখানে এসে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা যাচ্ছে। জানুয়ারি মাসে এরকম ১২টি শিবির করা হয়। ওই মাসে প্রায় ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা বকেয়া আদায় হয়েছে।



