সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: স্কুলের ১৩জন পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের ট্যাবের টাকা ঢোকেনি। তা অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে। তিন দফায় সাইবার ক্রাইম থানায় জানানোর পর এবার খড়্গপুর টাউন থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। খড়্গপুরের হিজলি হাইস্কুলের ঘটনা।
Advertisement
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবছর স্কুলের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ৫৯৯জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু ১৩জন পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা ঢোকেনি। সেগুলি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার অন্য অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে।
প্রধান শিক্ষক রবিশঙ্কর চট্টোপাধ্যায় বলেন, ১৩জন পড়ুয়ার টাকা রাজ্যের অন্য জেলায় অন্য অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। তার মধ্যে নবদ্বীপ, মাড়োগ্রামের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে। তেমনি খড়্গপুরের আশপাশের এলাকাও আছে। আমি প্রথমে থানায় জানাতে গেলে সেখান থেকে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করতে বলা হয়। সেইমতো আমি ১২ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করি। প্রথমে ১০জনের, এরপর দু’জনের ও শেষে আরও এক পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা না ঢোকার বিষয়টি সাইবার ক্রাইমকে জানাই। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শককেও(মাধ্যমিক) বিষয়টি জানানো হয়। আমি কয়েকটি ব্যাঙ্কেও চিঠি পাঠাই। কিন্তু সেখান থেকে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি।
রবিশঙ্কবাবু জানান, বৃহস্পতিবার জেলা শিক্ষাদপ্তর থেকে মেল করে স্থানীয় থানায় এফআইআর করতে বলা হয়। সেইমতো তিনি সমস্ত তথ্য দিয়ে খড়্গপুর টাউন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বপন সামন্ত বলেন, আমাদের জেলায় ২৯টি স্কুলে এরকম ঘটনা ঘটেছে। অনেক পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা ঢোকেনি। সমস্ত স্কুল কর্তৃপক্ষকেই নিজ নিজ থানায় এফআইআর করতে বলা হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক রবিশঙ্কর চট্টোপাধ্যায় বলেন, ১৩জন পড়ুয়ার টাকা রাজ্যের অন্য জেলায় অন্য অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। তার মধ্যে নবদ্বীপ, মাড়োগ্রামের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে। তেমনি খড়্গপুরের আশপাশের এলাকাও আছে। আমি প্রথমে থানায় জানাতে গেলে সেখান থেকে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করতে বলা হয়। সেইমতো আমি ১২ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করি। প্রথমে ১০জনের, এরপর দু’জনের ও শেষে আরও এক পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা না ঢোকার বিষয়টি সাইবার ক্রাইমকে জানাই। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শককেও(মাধ্যমিক) বিষয়টি জানানো হয়। আমি কয়েকটি ব্যাঙ্কেও চিঠি পাঠাই। কিন্তু সেখান থেকে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি।
রবিশঙ্কবাবু জানান, বৃহস্পতিবার জেলা শিক্ষাদপ্তর থেকে মেল করে স্থানীয় থানায় এফআইআর করতে বলা হয়। সেইমতো তিনি সমস্ত তথ্য দিয়ে খড়্গপুর টাউন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বপন সামন্ত বলেন, আমাদের জেলায় ২৯টি স্কুলে এরকম ঘটনা ঘটেছে। অনেক পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা ঢোকেনি। সমস্ত স্কুল কর্তৃপক্ষকেই নিজ নিজ থানায় এফআইআর করতে বলা হয়েছে।



