নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ছট উৎসব উপলক্ষ্যে সেজে উঠছে শিল্পাঞ্চল। বিভিন্ন ছটঘাট আলোয় সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। বাজারেও কেনাকাটার ভিড়। তাই ছট উৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পুজোর ঘাটগুলিকে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে। বসানো হচ্ছে ওয়াচ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরা। প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বার্নপুরের বিভিন্ন ছট ঘাট পরিদর্শন করলেন পুলিস কমিশনার সুনীলকুমার চৌধুরী। পুলিস সূত্রে জানানো হয়েছে, নজরদারি করতে ছটের সময়ে আকাশ পথে ওড়ানো হবে একাধিক ড্রোন ক্যামেরা। নিরাপত্তায় কোনও ত্রুটি রাখতে চাইছে না পুলিস। অন্যদিকে ছট উপলক্ষ্যে চূড়ান্ত ব্যস্ততা আসানসোল পুরসভাতেও। এদিন নিয়ামতপুরে নবনির্মিত ছট ঘাট উদ্বোধন করেন আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়। ঘাটটিকে আলোয় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। মঙ্গলবার পুরসভার অফিসে পাঁচটি ট্যাবলোরও উদ্বোধন করেন মেয়র। এই ট্যাবলোগুলি শহরের ১০৬টি ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে ছটের শুভেচ্ছা জানাবে। পাশাপাশি ছটের জন্য পুরসভা কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে তাও তুলে ধরবে। ছট উৎসব পালন করা ছটব্রতিদের সামগ্রী উপহার দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে শাসক দলও। ছটকে সামনে রেখে অবাঙালি এলাকাতেও নিজেদের সমর্থন বাড়িতে নিতে মরিয়া তারা।
Advertisement
আসানসোল, দুর্গাপুর থেকে রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, কুলটি, পাণ্ডবেশ্বর সর্বত্র ঘটা করে ছট উৎসব পালিত হয়। হাজার হাজার ভক্ত বার্নপুরে দামোদরের একাধিক ঘাটে ও ডিসেরগড় ঘাটে ছট পালন করেন। সেখানেও নিরাপত্তায় বাড়তি জোর দিচ্ছে পুলিস। মঙ্গলবার পুলিস কমিশনার ভূতনাথ ঘাট ও নেহরু পার্কের ঘাট পরিদর্শন করেন। ডিসি সন্দীপ কাররা বলেন, ভূতনাথ ঘাটে ৬০ হাজারের বেশি ভক্ত ছটের ব্রত পালন করেন। আমরা সাতটি ওয়াচ টাওয়ার বানাচ্ছি নজরদারি করার জন্য। ২০টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে, বাকি বড় ঘাটগুলিতে ২০ হাজারের বেশি মানুষ ছট উৎসব পালন করেন। সাদা পোশাকের পুলিসের পাশাপাশি ড্রোন দিয়েও নজরদারি চালানো হবে।
মেয়র বিধান উপাধ্যায় কুলটি থানার নিয়ামতপুরে ছট ঘাটের উদ্বোধন করে বলেন, ছট ঘাটটি বাঁধাতে ৭ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ঘাটটি আলোয় সাজিয়ে তুলতে ৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিরা ছট ব্রতিদের পাশে দাঁড়াতে সক্রিয় হয়েছে। মঙ্গলবার পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী হরিপুর, বহুলা, পাণ্ডবেশ্বরে নানা ছট ঘাট পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, সাড়ে সাত হাজার ছটব্রতির হাতে দলের পক্ষ থেকে বিশেষ কিট তুলে দেওয়া হচ্ছে। যাতে নতুন শাড়ির পাশাপাশি পুজোর নানা সামগ্রী থাকছে।
মেয়র বিধান উপাধ্যায় কুলটি থানার নিয়ামতপুরে ছট ঘাটের উদ্বোধন করে বলেন, ছট ঘাটটি বাঁধাতে ৭ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ঘাটটি আলোয় সাজিয়ে তুলতে ৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিরা ছট ব্রতিদের পাশে দাঁড়াতে সক্রিয় হয়েছে। মঙ্গলবার পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী হরিপুর, বহুলা, পাণ্ডবেশ্বরে নানা ছট ঘাট পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, সাড়ে সাত হাজার ছটব্রতির হাতে দলের পক্ষ থেকে বিশেষ কিট তুলে দেওয়া হচ্ছে। যাতে নতুন শাড়ির পাশাপাশি পুজোর নানা সামগ্রী থাকছে।



