নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: পাণ্ডবেশ্বর কর্মতীর্থে ফুড সেফটি ল্যাব গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এবার খাবারের গুণমান নিয়ে কোনও অভিযোগ এলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসন। পাশাপাশি জেলার ন’টি কর্মতীর্থ ভবন ঠিক কী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে তার বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। প্রশাসন চাইছে, কর্মতীর্থের প্রতিটি অংশই যেন সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক সঞ্জয় পাল বলেন, পাণ্ডবেশ্বর কর্মতীর্থে জেলার ফুড সেফটি ল্যাব গড়ার জন্য রাজ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এটি হয়ে গেলে খাদ্যের গুণগত মান যাচাই সহজ হবে। কোনওরকম ভেজাল খাবার সাধারণ মানুষকে দেওয়া হলে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।
আসানসোল, দুর্গাপুরের মতো দুই মেগাসিটি রয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার মধ্যে। দুই শহরেই ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে ফাস্টফুডের দোকান। সেখানে খাবারের মান নিয়ে বিস্তর অভিযোগ আসে। একইভাবে আসানসোল বাসস্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন হোটেলে যেভাবে ফুড সেফটি লাইসেন্স না নিয়েই দিনের পর দিন ব্যবসা চলছে তা নিয়েও সাধারণ মানুষের প্রশ্নের শেষ নেই। মানুষের প্রশ্ন, কেন প্রশাসন পদক্ষেপ নেয় না? প্রশাসনের দাবি, সবচেয়ে বড় সমস্যা জেলায় কোনও ফুড সেফটি ল্যাব নেই। যেখানে গিয়ে খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। এবার সেই সমস্যাই মিটতে চলেছে প্রশাসিনক তৎপরতায়। পাণ্ডবেশ্বরে ল্যাব গড়ে উঠছে। ফুড সেফটি অফিসারদের সদিচ্ছা থাকলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
আসানসোল, দুর্গাপুরের মতো দুই মেগাসিটি রয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার মধ্যে। দুই শহরেই ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে ফাস্টফুডের দোকান। সেখানে খাবারের মান নিয়ে বিস্তর অভিযোগ আসে। একইভাবে আসানসোল বাসস্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন হোটেলে যেভাবে ফুড সেফটি লাইসেন্স না নিয়েই দিনের পর দিন ব্যবসা চলছে তা নিয়েও সাধারণ মানুষের প্রশ্নের শেষ নেই। মানুষের প্রশ্ন, কেন প্রশাসন পদক্ষেপ নেয় না? প্রশাসনের দাবি, সবচেয়ে বড় সমস্যা জেলায় কোনও ফুড সেফটি ল্যাব নেই। যেখানে গিয়ে খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। এবার সেই সমস্যাই মিটতে চলেছে প্রশাসিনক তৎপরতায়। পাণ্ডবেশ্বরে ল্যাব গড়ে উঠছে। ফুড সেফটি অফিসারদের সদিচ্ছা থাকলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।



