নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: খাতড়ায় খবরের কাগজ বহনকারী গাড়ির চালককে ‘গান পয়েন্টে’ রেখে দুঃসাহসিক ঘটনায় পর চারদিন কেটে গেলেও পুলিস দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ওই ঘটনার পর বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার একাধিক থানা এলাকায় দুষ্কৃতীদের খোঁজ করেছে। কিন্তু, ঘটনায় জড়িত একজন দুষ্কৃতীকেও পুলিস নাগালে পায়নি। এমনিতেই ঘটনার পর অভিযোগ জমা নিতে খাতড়া থানা ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় নেয়। তারপর দুষ্কৃতীদের খোঁজ শুরু করতে আধিকারিকরা টালবাহানা করেন বলে অভিযোগ।
Advertisement
এই ঘটনায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝেও জঙ্গলমহলের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় পুলিস এভাবে উদাসীন থাকলে চুরি, ডাকাতি ছিনতাইয়ে যুক্ত দুষ্কৃতীরা সাহস পেয়ে যাবে বলে ওয়াকিবহাল মহলের আশঙ্কা। এদিকে, গত মঙ্গলবার ভোরে ঘটনার সময় গাড়িতে চালক তথা বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা রাজীব কুণ্ডু একা ছিলেন বলে পুলিস ও সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছিলেন। যদিও তদন্তে নেমে ছিনতাইয়ের সময় গাড়িতে আরও একজনের থাকার কথা পুলিস জানতে পারে। কেন গাড়িচালক দ্বিতীয় জনের উপস্থিতির কথা গোপন করেছিলেন, তা তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছেন। গাড়িতে থাকা ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে খাতড়ার এক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন।
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, খাতড়ায় ছিনতাইয়ের ব্যাপারে আমরা ইতিমধ্যেই বেশকিছু তথ্য পেয়েছি। বিভিন্ন জায়গায় পুলিস তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।
গাড়ি চালক রাজীববাবু বলেন, ঘটনার সময় গাড়িতে আমার এক আত্মীয় ছিলেন। উনি বাসের কন্ডাক্টর। দুষ্কৃতীরা তাঁকেও মারধর করে হাজারখানেক টাকা ছিনিয়ে নেয়। পুলিসি ঝামেলা এড়াতে তিনি ঘটনার সময় গাড়িতে থাকার কথা আমাকে চেপে যেতে অনুরোধ করেছিলেন। সেই কারণে বিষয়টি গোপন করি। পরে পুলিস তাঁর থাকার কথা জানতে পেরে ওই আত্মীয়কে ডেকে পাঠিয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ছিনতাইকারীদের নাগাল পেতে খাতড়ার পাশাপাশি হীড়বাঁধ, ইন্দপুর ও বাঁকুড়া থানাকে জেলা পুলিসও ময়দানে নেমেছে। পুরুলিয়া জেলা পুলিসেরও সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার পর দুষ্কৃতীরা চারচাকার গাড়িতে চেপে হীড়বাঁধ থানা হয়ে মানবাজারের দিকে চলে গিয়েছে। তারা রাজ্যের সীমানা পেরিয়ে ঝাড়খণ্ডে ঢুকে পড়তে পারে বলে তদন্তকারীরা আশঙ্কা করছেন। ঘটনার প্রায় ৩৬ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পর খাতড়া থানার পুলিস গাড়িচালককে নিয়ে দুষ্কৃতীদের গতিবিধি জানতে ময়দানে নামে। তারমধ্যে দুষ্কৃতীরা অনায়াসে ঝাড়খণ্ডে পৌঁছে যেতে পারে। পুলিসের একাংশ অবশ্য বাঁকুড়া-পুরুলিয়া সীমানাবর্তী গ্রামগুলিতে খোঁজ নিচ্ছে। দুষ্কৃতীরা জঙ্গলঘেরা ওইসব এলাকায় আশ্রয় নিতে পারে বলে খাতড়া মহকুমার এক পুলিস আধিকারিকও অনুমান করছেন।
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, খাতড়ায় ছিনতাইয়ের ব্যাপারে আমরা ইতিমধ্যেই বেশকিছু তথ্য পেয়েছি। বিভিন্ন জায়গায় পুলিস তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।
গাড়ি চালক রাজীববাবু বলেন, ঘটনার সময় গাড়িতে আমার এক আত্মীয় ছিলেন। উনি বাসের কন্ডাক্টর। দুষ্কৃতীরা তাঁকেও মারধর করে হাজারখানেক টাকা ছিনিয়ে নেয়। পুলিসি ঝামেলা এড়াতে তিনি ঘটনার সময় গাড়িতে থাকার কথা আমাকে চেপে যেতে অনুরোধ করেছিলেন। সেই কারণে বিষয়টি গোপন করি। পরে পুলিস তাঁর থাকার কথা জানতে পেরে ওই আত্মীয়কে ডেকে পাঠিয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ছিনতাইকারীদের নাগাল পেতে খাতড়ার পাশাপাশি হীড়বাঁধ, ইন্দপুর ও বাঁকুড়া থানাকে জেলা পুলিসও ময়দানে নেমেছে। পুরুলিয়া জেলা পুলিসেরও সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার পর দুষ্কৃতীরা চারচাকার গাড়িতে চেপে হীড়বাঁধ থানা হয়ে মানবাজারের দিকে চলে গিয়েছে। তারা রাজ্যের সীমানা পেরিয়ে ঝাড়খণ্ডে ঢুকে পড়তে পারে বলে তদন্তকারীরা আশঙ্কা করছেন। ঘটনার প্রায় ৩৬ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পর খাতড়া থানার পুলিস গাড়িচালককে নিয়ে দুষ্কৃতীদের গতিবিধি জানতে ময়দানে নামে। তারমধ্যে দুষ্কৃতীরা অনায়াসে ঝাড়খণ্ডে পৌঁছে যেতে পারে। পুলিসের একাংশ অবশ্য বাঁকুড়া-পুরুলিয়া সীমানাবর্তী গ্রামগুলিতে খোঁজ নিচ্ছে। দুষ্কৃতীরা জঙ্গলঘেরা ওইসব এলাকায় আশ্রয় নিতে পারে বলে খাতড়া মহকুমার এক পুলিস আধিকারিকও অনুমান করছেন।



