সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রান্না করা খাবারে কৃত্রিম রঙের ব্যবহার নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও রামপুরহাট মহকুমাজুড়ে বিভিন্ন রেস্তরাঁ, হোটেল, ফাস্টফুডের দোকানে যে কাবাব বা চিকেনের নানা পদ বিক্রি হয়, তাতে যথেচ্ছ পরিমাণে কৃত্রিম রং মেশানো হচ্ছে বলে দাবি স্বাস্থ্যদপ্তরের। এই সব কৃত্রিম রঙে এমন রাসায়নিক মেশানো হয় যা শরীরে ঢুকলে ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। শুধু আমিষ খাবারই নয়, বেশ কিছু মিষ্টিতে, নিরামিষ খাবারেও কৃত্রিম রং মেশানো হচ্ছে বলে দাবি আধিকারিকদের। অথচ তাঁদের সেভাবে সক্রিয় হতে দেখা যাচ্ছে না। স্বভাবতই ফুড সেফটি বিভাগের কর্মকাণ্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠছে।
Advertisement
ইদানিং মানুষের মধ্যে ফাস্ট ফুডের চাহিদা তুঙ্গে। অলিতে গলিতে গজিয়ে উঠেছে ফাস্ট ফুডের দোকান। এইসব দোকানগুলির আদৌ ‘ফুড লাইসেন্স’ আছে কি না তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই মানুষের। সন্ধ্যে নামলেই আট থেকে আশি ভিড় জমাচ্ছে ফাস্ট ফুডের দোকানগুলিতে। জিভে জল আনা চাউমিন, ফ্রায়েড রাইস, বিরিয়ানি, মোমো, কাবাব উড়ে যাচ্ছে চোখের নিমেষে। খাবারের গুণগত মান যাচাই না করেই ঝাঁপিয়ে পড়ছেন খাদ্য রসিকরা। এমনকী অভিযোগ, বেশকিছু বড় রেস্তরাঁও চলছে ফুড লাইসেন্স ছাড়াই।
স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা জানাচ্ছেন, খাবারে যে কৃত্রিম রং মেশানো হচ্ছে, তাতে ‘রোডামিন-বি’ নামক ক্ষতিকর একটি রাসায়নিক থাকে। কোথাও আবার খাবারে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রং ব্যবহার করা হচ্ছে। এই রাসায়নিক শরীরে ঢুকলে লিভারের জটিল রোগ হতে পারে। ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়বে। বড়রা শুধু নন, ছোটরাও রাস্তা থেকে কেনা খাবার খায়। কৃত্রিম রং দিনের পর দিন তাদের শরীরে ঢুকলে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে বাধ্য।
সচেতন নাগরিকরা প্রশ্ন তুলেছেন, শুধুমাত্র বেকারদের রুজিরুটির নামে আর কতদিন এইভাবে ক্ষতিকারক বেআইনি ব্যবসা চলবে। স্বাস্থ্যদপ্তর সব জেনেও কেন হাত গুটিয়ে?
রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলার ফুট সেফটি বিভাগের নোডাল অফিসার তথা ডেপুটি সিএমওএইচ ২ প্রকাশকুমার রায় বলেন, রাসায়নিক রং ব্যবহার অনেকটা কমিয়ে আনতে পেরেছি। তবুও কিছু কিছু জায়গায় কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেকে ফুড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, দু’-একজন লোক নিয়ে দোকানে দোকানে অভিযান চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। তাই খুব শীঘ্রই পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে ধারাবাহিক অভিযানে নামব। মানুষকে সেফ ফুড খাওয়ানোর দায়িত্ব আমাদের।
স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা জানাচ্ছেন, খাবারে যে কৃত্রিম রং মেশানো হচ্ছে, তাতে ‘রোডামিন-বি’ নামক ক্ষতিকর একটি রাসায়নিক থাকে। কোথাও আবার খাবারে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রং ব্যবহার করা হচ্ছে। এই রাসায়নিক শরীরে ঢুকলে লিভারের জটিল রোগ হতে পারে। ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়বে। বড়রা শুধু নন, ছোটরাও রাস্তা থেকে কেনা খাবার খায়। কৃত্রিম রং দিনের পর দিন তাদের শরীরে ঢুকলে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে বাধ্য।
সচেতন নাগরিকরা প্রশ্ন তুলেছেন, শুধুমাত্র বেকারদের রুজিরুটির নামে আর কতদিন এইভাবে ক্ষতিকারক বেআইনি ব্যবসা চলবে। স্বাস্থ্যদপ্তর সব জেনেও কেন হাত গুটিয়ে?
রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলার ফুট সেফটি বিভাগের নোডাল অফিসার তথা ডেপুটি সিএমওএইচ ২ প্রকাশকুমার রায় বলেন, রাসায়নিক রং ব্যবহার অনেকটা কমিয়ে আনতে পেরেছি। তবুও কিছু কিছু জায়গায় কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেকে ফুড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, দু’-একজন লোক নিয়ে দোকানে দোকানে অভিযান চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। তাই খুব শীঘ্রই পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে ধারাবাহিক অভিযানে নামব। মানুষকে সেফ ফুড খাওয়ানোর দায়িত্ব আমাদের।



