সুরাত, ৪ ফেব্রুয়ারি: খাবার কম পড়েছে সেই কারণে মাঝপথে বিয়ে থামিয়ে বরকে নিয়ে চলে যাচ্ছিল পাত্র পক্ষ। কোনও কথা না শুনেই শুধুমাত্র খাবার কম পড়ার কারণে বিয়েও ভেঙে দিতে চেয়েছিল বরের পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে কনের তৎপরতায় শেষে থানায় হল বিয়ে! এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের সুরাতে ভারাচ্ছা এলাকায়। রাহুল প্রমোদ মোহন্ত ও অঞ্জলি কুমারী মিতুসিংয়ের বিয়ে ছিল গত রবিবার। পাত্র-পাত্রী বিহারের বাসিন্দা হলেও বর্তমানে থাকেন সুরাতেই। তাই সুরাতের ভারাচ্ছার একটি ম্যারেজ হলে গত রবিবার বসেছিল বিয়ের আসর। বিয়ে যখন মাঝপথে তখন খেতে বসে বরযাত্রীরা দেখেন খাবার কম পড়েছে। তখনই রেগে যান বরযাত্রীরা। খাবার কেন কম পড়বে? এটি তাদের অপমান বলে বিয়েবাড়িতেই গণ্ডগোল শুরু করেন তারা। বরের বাড়ির সদস্যরা জানিয়ে দেয় এই বিয়ে হবে না। যদিও বরের ওই কনেকেই বিয়ে করার ইচ্ছা ছিল। পরিস্থিতির সামাল দিতে বাধ্য হয়েই পুলিসে ফোন করেন কনে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গোটা বিষয়টি শোনে পুলিস আধিকারিকরা। সমস্যার সমাধানের জন্য বর ও তার পরিবারের সদস্যদের থানায় ডেকে পাঠানো হয়। পুলিসের কথায় রাজি হয়ে ওই কনের সঙ্গেই বিয়ে হবে বলে জানায় বরের পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কনের আশঙ্কা ছিল ফের ওই বিয়ের মণ্ডপে ফিরে গেলে নতুন করে কোনও অশান্তি হতে পারে। তাই মণ্ডপে না ফিরে গিয়ে থানাতেই বিয়ে করেন তারা। পরিস্থিতির কথা মাথাতে রেখেই পুলিস তাতে সম্মতিও দেয়।



