সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: আন্তর্জাতিক তীর্থক্ষেত্র মায়াপুর যাওয়ার জন্য একটি নতুন জলপথ খুলে যাবে শীঘ্রই। নবদ্বীপ থেকে ভাগীরথী পেরিয়ে মায়াপুর পৌঁছনোর এই জলপথের কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। ইতিমধ্যে নবদ্বীপে তৈরি হয়ে গিয়েছে জেটি। মায়াপুরের নিদয়া ঘাটের উল্টোপারের জেটি তৈরির কাজও শেষের পথে। নবদ্বীপ থেকে মায়াপুর যাওয়ার এবং মায়াপুর থেকে নবদ্বীপ আসার যে মূল জলপথ আছে, সেখানে নৌকো এবং লঞ্চের চাপ অত্যন্ত বেশি। ফলে বাড়ছে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা। প্রশাসন চেয়েছিল হুলোর ঘাটে ভিড় কমাতে। পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা যাতে মায়াপুর বা নবদ্বীপের প্রাচীন মায়াপুর জন্মস্থানঘাট হয়ে যাতে যাতায়াত করতে পারেন তার ব্যবস্থা করতে চাইছিল প্রশাসন। এই নতুন জলপথ চালু হলে যাতায়াতে সময় যেমন কম লাগবে তেমনি খরচও কম হবে। অন্য দিকে নবদ্বীপ শহরের যানজট কিছুটা হলেও এড়ানো যাবে।
Advertisement
পশ্চিমবঙ্গ সরকারে জলপথ পরিবহণ দপ্তর প্রায় দু’ বছর আগে নবদ্বীপের প্রাচীন মায়াপুর জন্মস্থানঘাটের জেটি শেষ করেছে। এটি চালু হলে যাত্রী সংখ্যা বাড়বে, ফলে ব্যবসাও বাড়বে বলে আশা স্থানীয় দোকানদারদের। জানা গিয়েছে, ২ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নিদয়া ঘাটে জেটি তৈরি প্রায় শেষ। প্রায় চার মাস আগে এই কাজ শুরু হয়েছিল। ৩০ নভেম্বরে তা শেষ হয়। এখন রাস্তার কাজ বাকি। তা হয়ে গেলে শীঘ্রই চালু হয়ে যাবে নতুন জলপথটি।
নবদ্বীপ জন্মস্থানঘাটের টোটো চালক নিতাই বিশ্বাস ও নন্দ কর্মকার বলেন, অনেকদিন ধরেই নবদ্বীপ জন্মস্থান ঘাটে জেটির কাজ হয়ে পড়ে আছে। নিদয়া ঘাটে জেটির কাজ প্রায় শেষ। এই জলপথ চালু হলে পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের সুবিধা হবে। টোটোচালক থেকে শুরু করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিক্রিবাটা বাড়বে। নিদয়া মাহিষ্য পাড়ার বাসিন্দা গৃহবধু নয়ন বিবি বলেন, নবদ্বীপের বিভিন্ন স্কুলে আমাদের গ্রামের বাচ্চারা পড়ে। প্রতিদিন বাঁশের মাচা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। জেটি হওয়ায় অনেক নিরাপদে নৌকোয় পারাপার করতে পারব।
নবদ্বীপ জন্মস্থান মন্দিরের অধ্যক্ষ অদ্বৈত দাস বাবাজি মহারাজ বলেন, পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা অল্প সময়ে নবদ্বীপ ও মায়াপুর দর্শন করে ফিরে যেতে পারবেন। এই পরিষেবা চালু হয়ে গেলে এখানকার আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে।
মায়াপুর-বামনপুকুর দু’ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান মৈত্রেয়ী ঘোষ বলেন, নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার দীর্ঘদিনের চেষ্টায় এই জেটি হয়েছে। তাঁর এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। বিমানকৃষ্ণ সাহা বলেন, নবদ্বীপের জেটির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে দীর্ঘদিন। কিন্তু বিপরীত দিকে নিদয়া ঘাটে জেটি দরকার ছিল। তাও এবার তৈরি। -নিজস্ব চিত্র
নবদ্বীপ জন্মস্থানঘাটের টোটো চালক নিতাই বিশ্বাস ও নন্দ কর্মকার বলেন, অনেকদিন ধরেই নবদ্বীপ জন্মস্থান ঘাটে জেটির কাজ হয়ে পড়ে আছে। নিদয়া ঘাটে জেটির কাজ প্রায় শেষ। এই জলপথ চালু হলে পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের সুবিধা হবে। টোটোচালক থেকে শুরু করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিক্রিবাটা বাড়বে। নিদয়া মাহিষ্য পাড়ার বাসিন্দা গৃহবধু নয়ন বিবি বলেন, নবদ্বীপের বিভিন্ন স্কুলে আমাদের গ্রামের বাচ্চারা পড়ে। প্রতিদিন বাঁশের মাচা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। জেটি হওয়ায় অনেক নিরাপদে নৌকোয় পারাপার করতে পারব।
নবদ্বীপ জন্মস্থান মন্দিরের অধ্যক্ষ অদ্বৈত দাস বাবাজি মহারাজ বলেন, পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা অল্প সময়ে নবদ্বীপ ও মায়াপুর দর্শন করে ফিরে যেতে পারবেন। এই পরিষেবা চালু হয়ে গেলে এখানকার আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে।
মায়াপুর-বামনপুকুর দু’ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান মৈত্রেয়ী ঘোষ বলেন, নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার দীর্ঘদিনের চেষ্টায় এই জেটি হয়েছে। তাঁর এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। বিমানকৃষ্ণ সাহা বলেন, নবদ্বীপের জেটির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে দীর্ঘদিন। কিন্তু বিপরীত দিকে নিদয়া ঘাটে জেটি দরকার ছিল। তাও এবার তৈরি। -নিজস্ব চিত্র



