Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়গপুর-কেশিয়াড়ি রাজ্য সড়কের ভোলবদল, সম্প্রসারণের কাজে গতি

খড়গপুর থেকে কেশিয়াড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত ৫ নম্বর রাজ্য সড়কের ভোলবদল হতে চলেছে। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তারসম্প্রসারণের কাজ শুরু করল পূর্ত দপ্তর।

খড়গপুর-কেশিয়াড়ি রাজ্য সড়কের ভোলবদল, সম্প্রসারণের কাজে গতি
  • ১৫ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বেলদা: খড়গপুর থেকে কেশিয়াড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত ৫ নম্বর রাজ্য সড়কের ভোলবদল হতে চলেছে। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তারসম্প্রসারণের কাজ শুরু করল পূর্ত দপ্তর। মূলত সালুয়া থেকে শুরু হয়ে কেশিয়াড়ি পর্যন্ত এই রাস্তার আমূল সংস্কার হচ্ছে। আইআইটি খড়গপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সংযোগকারী এই রাস্তাটি বেলদা ও ঝাড়গ্রামের যাতায়াতের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে সুবর্ণরেখা নদীর উপর জঙ্গলকন্যা সেতু নির্মিত হওয়ার পর থেকে এই রাস্তায় যানবাহনের চাপ বেড়ে গিয়েছিল। প্রতিদিন রাস্তা দিয়ে অসংখ্য বাস ও ছোট গাড়ি যাতায়াত করে। ফলে সংকীর্ণ রাস্তায় যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছিল।

Advertisement

জনসাধারণের সুবিধার কথা মাথায় রেখে রাজ্য এই রাস্তাটি ১০ মিটার চওড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ৫৬ কোটি ৪৫ লক্ষ ২২ হাজার ৫৩৭ টাকা। পূর্ত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮.৬০ কিমি থেকে ২৭ কিমি পর্যন্ত রাস্তার এই সংস্কারপর্বে ১৪টি ক্রস ড্রেনেজ স্ট্রাকচার এবং ৩টি নতুন ব্রিজ নির্মিত হবে। এছাড়াও ১,৩৪০ মিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজও এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। গত ২ মার্চ থেকে কাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী  ২০২৭ সালের ২৯ এপ্রিলের মধ্যে কাজ শেষের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যেই সালুয়ার দিক থেকে কাজ শুরু করে দিয়েছে ঠিকাদার সংস্থা। পূর্ত দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই গুণমান বজায় রেখে কাজ শেষ করার বিষয়ে তাঁরা আশাবাদী। তবে রাস্তার কাজে বাধা সৃষ্টিকারী জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে প্রশাসন। পূর্ত বিভাগের জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে নোটিস জারি করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে যারা এখনও অবৈধভাবেরাস্তার উপর ঘর, দোকান করে রয়েছে দ্রুত সেগুলি ভেঙে ফেলা হবে বলে জানানো হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ