সংবদাদাতা, ময়নাগুড়ি: সার বিক্রি বন্ধের হুমকি দিলেন জলপাইগুড়ির ব্যবসায়ীরা। কোম্পানিগুলি পরিবহণ খরচ না বাড়ালে আগামী মাস থেকে তাঁরা দোকানে পণ্য তুলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। এই খবরে স্বাভাবতই উদ্বিগ্ন জেলার কৃষকরা।
সংবদাদাতা, ময়নাগুড়ি: সার বিক্রি বন্ধের হুমকি দিলেন জলপাইগুড়ির ব্যবসায়ীরা। কোম্পানিগুলি পরিবহণ খরচ না বাড়ালে আগামী মাস থেকে তাঁরা দোকানে পণ্য তুলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। এই খবরে স্বাভাবতই উদ্বিগ্ন জেলার কৃষকরা।
রাঙাপানি, ফালাকাটা, ধূপগুড়িতে বিভিন্ন কোম্পানির রেক পয়েন্ট আছে। সেখান থেকে সার নিয়ে যেতে হয় বিক্রেতাদের। এজন্য পরিবহণ খরচ বাবদ একটি নির্দিষ্ট টাকা পান তাঁরা। কিন্তু সেই মূল্য গত কুড়ি বছরে নড়চড় হয়নি। অথচ বাস্তবে বাজারদর তার কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। যে কারণে বিক্রেতারা পরিবহণ খরচের টাকা বৃদ্ধির জন্য দীর্ঘদিন দাবি জানিয়ে আসছেন। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, এখন ধানের মূল মরশুম। পাশাপাশি চা বাগান আছে। ফলে তাঁরা চলতি মাস পর্যন্ত দেখবেন। তার পরেও সার কোম্পানিগুলির হুঁশ না ফিরলে আন্দোলনের পথে যাবেন।
এই প্রসঙ্গে সার ব্যবসায়ী সমিতির জেলা সম্পাদক সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, ‘২০ বছর আগে কোম্পানিগুলি যে পরিবহণ খরচ দিত, এখনও সেটাই রেখে গিয়েছে। সে কারণে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে। এভাবে বেশিদিন চলতে পারে না। দাবি মানা না হলে আগামী মাস থেকে কোনো ব্যবসায়ী দোকানে সার তুলবে না।’
এই অজুহাতে সারের দাম বাড়ানো যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কৃষি দপ্তর। জেলা কৃষি আধিকারিক বাবলু সাঁতরা বলেন, ‘কোনো ব্যবসায়ী ন্যায্য মূল্যে সার বিক্রয় না করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা কাউকে ছাড় দেব না।’ পাশাপাশি, কালোবাজারি অভিযোগে এখনো পর্যন্ত জেলার ২৫ জন ব্যবসায়ীকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।