ওয়াশিংটন: ভেনেজুয়েলার পর ইরান? তেহরানকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, নিরীহ বিক্ষোভকারীদের নির্বিচারে হত্যা করা হলে, হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না আমেরিকা। তাদের বিরুদ্ধে ‘খুবই শক্তিশালী’ আঘাত হানা হবে। এরইমধ্যে চাঞ্চল্যকর গোয়েন্দা রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, রাশিয়া পালানোর ছক কষছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়েতুল্লা খামেনেই। পরিবার নিয়েই তিনি দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করছেন।
শুরুটা হয়েছিল মাহসা আমিনিকে দিয়ে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে হিজাব না পরে ঘরের বাইরে বের হওয়ায় পুলিশ তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। পরে পুলিশি হেপাজতে তাঁর মৃত্যু হয়। এরপরই দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ৫০০ বিক্ষোভকারীর। পরে প্রশাসনের কঠোর দমন-পীড়নের জেরে বিক্ষোভে কিছুটা ভাটা পড়ে। সম্প্রতি ফের উত্তাল ইরান। দেশের আর্থিক সংকট, আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত সরকারি পরিষেবা না পেয়ে পথে নেমেছেন নাগরিকরা। ইতিমধ্যে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে ১০ জন বিক্ষোভকারীর। তাঁদের উপর সরকারের এই দমন-পীড়নের মধ্যে উড়ে আসে ট্রাম্পের হুমকি। বলেন, অতীতের মতো যদি বিক্ষোভকারীদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়, তাহলে কঠোর আঘাত নেমে আসবে তেহরানের উপর। সূত্রে খবর, পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে গেলে সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের মতোই মস্কো চলে যাবেন তিনি। ছেলে মোস্তাবাকে উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন খামেনেই। তাঁকে নিয়েও মস্কোর ফ্লাইট ধরতে প্রস্তত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।