সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: নতুন সাজে সেজে উঠেছে বাগনানের খালোড় কালীবাড়ি। সোমবার থেকে তা ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। দীর্ঘ দু’বছর পর দেবীকে দেখতে পাওয়ার আকাঙ্খায় ভক্তরা আকুল।
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: নতুন সাজে সেজে উঠেছে বাগনানের খালোড় কালীবাড়ি। সোমবার থেকে তা ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। দীর্ঘ দু’বছর পর দেবীকে দেখতে পাওয়ার আকাঙ্খায় ভক্তরা আকুল।
লোকশ্রুতি, বর্ধমানের রাজা গন্ধর্বনারায়ণ স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি মৃন্ময়ী মূর্তির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৩৪৭ বঙ্গাব্দের ৩২ আষাঢ় একটি নিমকাঠ দিয়ে দেবীর মূর্তি তৈরি হয়। এরপর প্রতিবছর এদিন কালীর জন্মদিন পালন হচ্ছে। নিত্যপুজো, ভোগ ছাড়াও কালীপুজোর দিন ও কালীর জন্মদিনে বিশেষ পুজো হয়। শোলমাছ পোড়া ভোগের অন্যতম বৈশিষ্ট। জানা গিয়েছে, ৭০০ বছরের প্রাচীন এই মন্দির দু’বার সংস্কার হয়েছে। এবার তৃতীয়বার সংস্কার হল। পঞ্চচূড়াও নির্মাণ করা হয়েছে। খালোড় শ্রী শ্রী মহাকালী ঠাকুরানি ট্রাস্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার ভোর পাঁচটায় মঙ্গলারতির মাধ্যমে দ্বার উদঘাটন। তারপর গর্ভগৃহে ঘট নিয়ে আসা ও পুজো, দেবীর অভিষেক, পুনঃসংস্করণ বিহিত পুজো, কুমারীপুজো, হোম যজ্ঞ, সন্ধারতি, রাতে বিশেষ পুজো। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলারতির পর পুজো ও ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ। রাতে বিশেষ যজ্ঞ। ট্রাস্টের চিফ পেট্রন ও বাগনানের বিধায়ক অরুণাভ সেন বলেন, ‘মন্দির ভগ্নপ্রায় অবস্থায় ছিল। আমি উদ্যোগ নিয়ে নতুন রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। অনেকে সহযোগিতা করেছেন। সংস্কারের জন্য পুজো হয়নি। সোমবার ভক্তরা পুজো দিতে পারবেন।’ ট্রাস্টের সম্পাদক উজ্জ্বল চক্রবর্তী বলেন, ‘ট্রাস্টের চিফ প্যাট্রন ও ভক্ত দিবস খাঁড়ার চেষ্টায় পঞ্চচূড়া মন্দির নির্মাণ হয়েছে।’ নিজস্ব চিত্র