গুয়াহাটি: আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পেয়েই পিছু হটলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা? অসমের কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈয়ের বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর বদল বিজেপির! অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা সহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা ক্রমাগত অভিযোগ করছিলেন, গগৈয়ের ব্রিটিশ স্ত্রী এলিজাবেথ কোলবার্নের সঙ্গে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের যোগ রয়েছে। এলিজাবেথ ভারত বিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবিও তুলতে শুরু করে বিজেপি। যদিও কংগ্রেস প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে, আগামী বছর অসমে নির্বাচন। তার আগে হাওয়া গরম করতে ও হিমন্তের বিরুদ্ধে গুচ্ছ গুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ থেকে নজর ঘোরাতে এরকম ভুয়ো দাবি করছে পদ্মশিবির। এআইসিসির সঙ্গে আলোচনার পর বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপের কথাও জানান গগৈ। যে কোনও ধরনের তদন্তের জন্যও তিনি প্রস্তুত বলেও জানিয়ে দেন। আর এর জেরেই কি কৌশল বদলালো গেরুয়া শিবির?
Advertisement
শনিবারও হিমন্ত দাবি করেছিলেন, গগৈয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য সিট গঠন করা হতে পারে। কিন্তু রবিবার অসম সরকারের ক্যাবিনেট বৈঠকে ঠিক হয়েছে, এলিজাবেথের বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হচ্ছে না। বদলে পাকিস্তানে বসবাসকারী আলি তৌকির শেখের বিরুদ্ধে ভারত বিরোধী কার্যকলাপের জন্য এফআইআর দায়ের করা হচ্ছে। তৌকির ও এলিজাবেথ জলবায়ু সংক্রান্ত দুটি সংস্থায় একসঙ্গে কাজ করতেন বলে দাবি অসম সরকারের।
গৌরব গগৈকে নিয়েও কিছুটা ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে হিমন্তের গলায়। রবিবার তিনি দাবি করেন, ‘গগৈ হয়তো ভারত বিরোধীদের হাতে ‘আটকা’ পড়েছেন বা তাদের ব্ল্যাকমেলের শিকার হচ্ছেন। তাই, আমরা সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি পরীক্ষা করব। আমরা এই মুহূর্তে তাঁকে দোষারোপ করতে চাই না।’ যদিও ব্রিটিশ নাগরিক হয়েও এলিজাবেথ কীভাবে গগৈয়ের নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছে অসম সরকার। যদিও এই নিয়েও সরব হয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ। গগৈ বলেন, ‘আমরা প্রথম দিন থেকেই একই অবস্থানে স্থির রয়েছি কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী প্রতিদিন নিজের অবস্থান বদলাচ্ছেন। প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী আমাকে খলনায়ক বানিয়ে আক্রমণ করছিলেন। গতকাল থেকে বলছেন আমি পরিস্থিতির শিকার। নির্বাচনে হারের ভয় থেকেই বিজেপি এমন কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন গগৈ।
গৌরব গগৈকে নিয়েও কিছুটা ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে হিমন্তের গলায়। রবিবার তিনি দাবি করেন, ‘গগৈ হয়তো ভারত বিরোধীদের হাতে ‘আটকা’ পড়েছেন বা তাদের ব্ল্যাকমেলের শিকার হচ্ছেন। তাই, আমরা সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি পরীক্ষা করব। আমরা এই মুহূর্তে তাঁকে দোষারোপ করতে চাই না।’ যদিও ব্রিটিশ নাগরিক হয়েও এলিজাবেথ কীভাবে গগৈয়ের নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছে অসম সরকার। যদিও এই নিয়েও সরব হয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ। গগৈ বলেন, ‘আমরা প্রথম দিন থেকেই একই অবস্থানে স্থির রয়েছি কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী প্রতিদিন নিজের অবস্থান বদলাচ্ছেন। প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী আমাকে খলনায়ক বানিয়ে আক্রমণ করছিলেন। গতকাল থেকে বলছেন আমি পরিস্থিতির শিকার। নির্বাচনে হারের ভয় থেকেই বিজেপি এমন কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন গগৈ।



